






রিলায়েন্স জিও তাদের গ্রাহকদের জন্য বিভিন্ন রেঞ্জের প্ল্যান অফার করে। তবে ডিসেম্বরে নতুন প্ল্যান আসার পর দেখা যায় কোম্পানি প্ল্যানের দাম ৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়েছে। এইকারণে কোম্পানি গ্রাহকদের জন্য মাঝে মাঝে রিচার্জের উপর ক্যাশব্যাক অফার করে। এই মুহূর্তে রিলায়েন্স জিও বিভিন্ন রিচার্জ প্ল্যানের উপর ৫০ টাকা ক্যাশব্যাক দিচ্ছে। এই ক্যাশব্যাক গ্রাহকরা Paytm, PhonePe, MobiKwik, Freecharge থেকে পাবে। আবার Google Pay অ্যাপ থেকে রিচার্জ করলে ১,৫০০ টাকা পর্যন্ত রিওয়ার্ড পাওয়া যাচ্ছে। তো আসুন কিভাবে এই ক্যাশব্যাক পাবেন জেনে নিই।
PhonePe থেকে নতুন জিও গ্রাহকদের ৭৫ টাকা এবং পুরানো গ্রাহকদের ৫০ টাকা রিওয়ার্ড দেওয়া হচ্ছে। আবার Paytm থেকে নতুন জিও গ্রাহকরা ৩০ টাকা পাবে, এরজন্য PTMJIO30 প্রোমো কোড ব্যবহার করতে হবে। আবার বর্তমান গ্রাহকরা ১৫ টাকা ক্যাশব্যাক পাবে, এরজন্য PTMJIO15 প্রোমো কোড ব্যবহার করতে হবে।
Amazon থেকে নতুন গ্রাহকরা ২০০ টাকা এবং বর্তমান গ্রাহকরা ৫০ টাকা পর্যন্ত রিওয়ার্ড পাবে। Mobikwik সমস্ত গ্রাহককে ১০০ টাকা সুপারক্যাশ দিচ্ছে, এরজন্য প্রোমো কোড হল JIO50P।

উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) অন্য রাজ্য থেকে ফিরে নিজ বাড়িতে আসা শ্রমিকদের কাজ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ প্রেস কনফারেন্স করে বলেন, যদি ওঁদের কাজ না দেওয়া হয়, তাহলে রাজ্যে দুর্ভিক্ষ পড়বে। উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ রাজ্যের ১ কোটি শ্রমিকদের কাজ উপলব্ধ করার প্রতিশ্রুতি দেন।
উনি আরও বলেন, উত্তর প্রদেশকে READY MADE GARMENTS এর হাব বানাচ্ছি আমরা। আর এই পরিযোজনায় এক কোটি মানুষকে চাকরি দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। উনি জানান, শুধুমাত্র মনরেগার মাধ্যমেই অনেক মানুষকে রোজগার দেওয়া সম্ভব হবে
মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, ‘১লা মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত প্রচুর পরিমাণে শ্রমিক অন্য রাজ্য থেকে উত্তর প্রদেশে এসেছে। আগামী ১০ দিনে আরও ১০ লক্ষ শ্রমিক আসবে।” উনি বলেন, ‘উত্তর প্রদেশ সরকার পরিকল্পনা নিয়েছে যে, ২৪ লক্ষ মানুষকে কাজ দেবে।”

মহানগর ওয়েবডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের আউরিয়ায় ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ২৪ জন পরিযায়ী শ্রমিক। তাদের মধ্যে এই রাজ্যেরও বেশ কয়েকজন শ্রমিক ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। মৃত শ্রমিকদের পরিবারের জন্য এবার দু-লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। এদিন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের তরফে একটি টুইট করে একথা জানানো হয়েছে। সূত্রের খবর, নিহতদের তালিকায় পুরুলিয়ার তিন-চারজন শ্রমিক রয়েছেন।

বাড়ি ফিরে আসার পথে শ্রমিকদের এই মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় ইতিমধ্যে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সহ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরই রাজ্যের তরফে টুইটে এই ঘোষণা করা হয়। জানা গিয়েছে, রাজস্থান থেকে একদল পরিযায়ী শ্রমিক ওই ট্রাকে করে বিহার, ঝাড়খন্ড এবং পশ্চিমবঙ্গে ফিরছিলেন। লখনৌ থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে আউরিয়া জেলায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ২১ জন পরিচয় শ্রমিকের। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের দপ্তর থেকে বিবৃতি জারি করে বলা হয়েছে, গোটা বিষয়ের খবর তিনি রাখছেন এবং মৃত শ্রমিকদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা রয়েছে।

ডেস্কঃ আজ রাতেই ঘূর্নিঝড়ের রূপ নেবে আম্ফান। ১৮ থেকে ২০ তারিখ উত্তর পূর্ব দিকে এগোতে থাকবে। এই পাঁচ-ছ’দিন তামিনাড়ু, ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী অঞ্চলে একটানা ৮০কিমি প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে ঝড় হবে। ঘূর্ণীঝড়ের আশঙ্কায় সমদ্রে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে মৎস্যজীবীদের। পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা উপকূল এবং উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকা থেকে মৎস্যজীবীদের বঙ্গোপসাগর এলাকায় মাছ ধরতে নিষেধ …ডেস্কঃ আজ রাতেই ঘূর্নিঝড়ের রূপ নেবে আম্ফান। ১৮ থেকে ২০ তারিখ উত্তর পূর্ব দিকে এগোতে থাকবে। এই পাঁচ-ছ’দিন তামিনাড়ু, ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী অঞ্চলে একটানা ৮০কিমি প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে ঝড় হবে।

ঘূর্ণীঝড়ের আশঙ্কায় সমদ্রে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে মৎস্যজীবীদের। পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা উপকূল এবং উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকা থেকে মৎস্যজীবীদের বঙ্গোপসাগর এলাকায় মাছ ধরতে নিষেধ করা হয়েছে। উপকূলীয় অঞ্চলে তো প্রবল ঝড়-বৃষ্টির পাশাপাশি দক্ষিণ এর সব জেলাতেই মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
ছবিশহরের তাপমাত্রা
গতকাল কলকাতা (Kolkata) শহরের সকালে তাপমাত্রা ছিল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। আজকে শহরের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে।ভারতের আবহাওয়া দফতর উত্তর ভারত মহাসাগর, আরব সাগর এবং ভারত মহাসাগরে ভবিষ্যতের ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের জন্য ১৩ টি দেশ কর্তৃক নির্বাচিত ১৬৯ টি ঝড়ের নাম প্রকাশ করল। নামগুলির মধ্যে গুলাব, তেজ, অগ্নি, আগ অন্যতম। ২০০৪ সালে আটটি দেশের আবহাওয়া বিভাগ দ্বারা সূচিত ঘূর্ণিঝড়ের নামের পূর্বের তালিকাটি উত্তর ভারত মহাসাগর, বঙ্গোপসাগর বা আরব সাগরে আরও এই ঘূর্ণিঝড়ের পরে শেষ হয়ে যাবে। পরবর্তী ঘূর্ণিঝড়টির নাম দেওয়া হবে ‘আম্ফান’, থাইল্যান্ডের প্রস্তাবিত একটি নাম, যা ২০০৪ সালের তালিকায় শেষ।




