
Web Desk: কালো হীরা । ডাম্পারে লরিতে করে ভরে পাচার করতেই পারলেই মিলে যায় জাগতিক সব সুখ । গলায় মোষ বাঁধার শিকলের মতো মোটা সোনার চেন , দশ আঙুলে আঙটি , আর দামি গাড়ি সই মিলে যায় ।তাই চলে অবাধ কয়লা চুরি । গড়ে ওঠে মাফিয়া সাম্রাজ্য ।অবশ্য একদিনে বা এক বছরে এইওবাধ কয়লা চুরির সাম্রাজ্য গড়ে ওঠে নি । সেই বাম আমল থেকে চলে কালো মানিকের চোরাই ব্যবসা । নিন্দুকেরা বলে মাফিয়া সাম্রাজ্যের প্রসদ অর্থাৎ মাফিয়াদের ভাষায় কাটিং চা সবাই পেয়ে থাকেন । আর সব দেবতাই পুজো পান তাই সেই বাম আমলের থেকেই চলে আসছে এই মাফিয়া সাম্রাজ্য ।ক্ষমতার রঙ বদল হলেমাফিয়ারা বদলে নেয় নিজেদের জামা । মাখনের মধ্যে ছুরি চালানোর মতোই চলতে থাকে মস্ররীণভাবে সেই একই মাফিয়া সাম্রাজ্য । কিন্তু প্রকৃতি বেজায় ক্ষুব্ধ । এবার প্রকৃতি নিচ্ছে বদলা ।মাটির তলা হয়ে গিয়েছে । আবার হরিশপুরে নেমেছে ধ্বস ।দেখা দিয়েছে ফাটল । লোটা কম্বল নিয়ে বাসিন্দারা আতঙ্কে খোলা আকাশের নিচে ।অবৈধ কয়লা খননের ফল ভুগতে হচ্ছে সাধারণ গ্রামবাসীদের। আজ বামফ্রন্টের ৩ বিধায়ক সহ জেলা নেতৃত্ব গৌরাঙ্গ চট্টোপাধ্যায় , পঙ্কজ রায় সরকার, প্রবীর মন্ডল, সুবীর সেনগুপ্ত পৌঁছালে তাদের কাছে সাধারন বাসিন্দারা যন্ত্রণার কথা বলে। অসহায় মানুষগুলো তাদের দাবি নিয়ে GM অফিসে দেখা করতে যায়, তখন CISF দিয়ে গেট বন্ধ করে দেয়। প্রতিবাদে গৃহহীন বাসিন্দারা জাতীয় সড়কে বসে পড়ে। পুনর্বাসনের দাবিতে বাসিন্দারা জাতীয় সড়ক অবরোধ করে ।
১৬ জুলাই দেখা যায় প্রথম ধ্বস । জাতীয় সড়ক থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে হরিশপুর গ্রামের রাস্তায় ১০০ মিটার জূড়ে ফাটল দেখা যায় ।রবিবার রাতে বিকট শব্দে ধ্বস নামে হরিশপুরে ।প্রায় ১৫ টি বাড়ি সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং এই বাড়িগুলি কমপক্ষে ৫ ফুট মাটিতে বসে যায় বলে স্থানীয়রা জানান। এই ঘটনায় হরিশপুর গ্রামে থাকা ৫৫০ টি পরিবার আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।ইসিএল আধিকারিক থেকে শুরু করে প্রশাসন, আসানসোল–দুর্গাপুর ডেভলপমেন্ট অথরিটি ,স্থানীয় প্রশাসন প্রায় সকলকেই গ্রামবাসীদের পক্ষ থেকে গ্রামের পুনর্বাসনের দাবি জানানো হয়েছে কিন্তু মেলে নি পুনর্বাসন । ১৬ জুলাই ধ্বসের পরে জেলা শাসক পুর্ণেন্দু মাজির সাথে একটি বৈঠক হয় এবং সেখানে ছিলেন ইসিএল কতৃপক্ষ । স্থির হয় যতদিন না সম্পুর্ণ পুনর্বাসোন হচ্ছে ততদিন বাসিন্দারা ই সিএলের ফাঁকা আবাসনে থাকবেন । কিন্তু তার কোন বাস্তব রুপ পায় নি বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের । পুনর্বাস্নের দাবিতে জাতীয় সরক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান বাসিন্দারা ।
কালো হীরা । ডাম্পারে লরিতে করে ভরে পাচার করতেই পারলেই মিলে যায় জাগতিক সব সুখ । গলায় মোষ বাঁধার শিকলের মতো মোটা সোনার চেন , দশ আঙুলে আঙটি , আর দামি গাড়ি সই মিলে যায় ।তাই চলে অবাধ কয়লা চুরি । গড়ে ওঠে মাফিয়া সাম্রাজ্য ।অবশ্য একদিনে বা এক বছরে এইওবাধ কয়লা চুরির সাম্রাজ্য গড়ে ওঠে নি । সেই বাম আমল থেকে চলে কালো মানিকের চোরাই ব্যবসা । নিন্দুকেরা বলে মাফিয়া সাম্রাজ্যের প্রসদ অর্থাৎ মাফিয়াদের ভাষায় কাটিং চা সবাই পেয়ে থাকেন । আর সব দেবতাই পুজো পান তাই সেই বাম আমলের থেকেই চলে আসছে এই মাফিয়া সাম্রাজ্য ।ক্ষমতার রঙ বদল হলেমাফিয়ারা বদলে নেয় নিজেদের জামা । মাখনের মধ্যে ছুরি চালানোর মতোই চলতে থাকে মস্ররীণভাবে সেই একই মাফিয়া সাম্রাজ্য । কিন্তু প্রকৃতি বেজায় ক্ষুব্ধ । এবার প্রকৃতি নিচ্ছে বদলা ।মাটির তলা হয়ে গিয়েছে । আবার হরিশপুরে নেমেছে ধ্বস ।দেখা দিয়েছে ফাটল । লোটা কম্বল নিয়ে বাসিন্দারা আতঙ্কে খোলা আকাশের নিচে ।অবৈধ কয়লা খননের ফল ভুগতে হচ্ছে সাধারণ গ্রামবাসীদের। আজ বামফ্রন্টের ৩ বিধায়ক সহ জেলা নেতৃত্ব গৌরাঙ্গ চট্টোপাধ্যায় , পঙ্কজ রায় সরকার, প্রবীর মন্ডল, সুবীর সেনগুপ্ত পৌঁছালে তাদের কাছে সাধারন বাসিন্দারা যন্ত্রণার কথা বলে। অসহায় মানুষগুলো তাদের দাবি নিয়ে GM অফিসে দেখা করতে যায়, তখন CISF দিয়ে গেট বন্ধ করে দেয়। প্রতিবাদে গৃহহীন বাসিন্দারা জাতীয় সড়কে বসে পড়ে। পুনর্বাসনের দাবিতে বাসিন্দারা জাতীয় সড়ক অবরোধ করে ।
১৬ জুলাই দেখা যায় প্রথম ধ্বস । জাতীয় সড়ক থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে হরিশপুর গ্রামের রাস্তায় ১০০ মিটার জূড়ে ফাটল দেখা যায় ।রবিবার রাতে বিকট শব্দে ধ্বস নামে হরিশপুরে ।প্রায় ১৫ টি বাড়ি সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং এই বাড়িগুলি কমপক্ষে ৫ ফুট মাটিতে বসে যায় বলে স্থানীয়রা জানান। এই ঘটনায় হরিশপুর গ্রামে থাকা ৫৫০ টি পরিবার আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।ইসিএল আধিকারিক থেকে শুরু করে প্রশাসন, আসানসোল–দুর্গাপুর ডেভলপমেন্ট অথরিটি ,স্থানীয় প্রশাসন প্রায় সকলকেই গ্রামবাসীদের পক্ষ থেকে গ্রামের পুনর্বাসনের দাবি জানানো হয়েছে কিন্তু মেলে নি পুনর্বাসন । ১৬ জুলাই ধ্বসের পরে জেলা শাসক পুর্ণেন্দু মাজির সাথে একটি বৈঠক হয় এবং সেখানে ছিলেন ইসিএল কতৃপক্ষ । স্থির হয় যতদিন না সম্পুর্ণ পুনর্বাসোন হচ্ছে ততদিন বাসিন্দারা ই সিএলের ফাঁকা আবাসনে থাকবেন । কিন্তু তার কোন বাস্তব রুপ পায় নি বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের । পুনর্বাস্নের দাবিতে জাতীয় সরক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান বাসিন্দারা ।
Reporter Aniruddha Benerjee











