তিন বান্ধবী মিলে অপহরণ করল দুই পুরুষ বন্ধুকে!‌ তারপর আটকে রেখে যা করল, শুনলে চমকে যাবেন

Web Desk: তিন বান্ধবী মিলে অপহরণ করেছিল পুরুষ বন্ধুকে। আর সেই অপহরণের মামলায় অভিযুক্তরা আগে থেকে জামিনের আবেদন করেছিল আদালতে। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ করে দিল আদালত। উল্লেখ্য, অভিযুক্ত তিন মহিলাই কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী।

গত ডিসেম্বর মাসের ২ তারিখে অভিযুক্ত তরুণীরা তাদের দুই পুরুষ বন্ধুকে মুদিনাপালায়ার কাছে একটি বিয়ে বাড়ির সামনে রাতে আসতে বলে। বলে, তাদের অন্য এক বন্ধুর এখানে বিয়ে হচ্ছে। সেই সময়ে বন্ধুটি আসে এবং তখনই তাঁকে অপহরণ করা হয়। সেই অপহরণ অবশ্য করেছিল চার পুরুষ গুণ্ডা।

পরে কোনওমতে অপহৃত অবস্থা থেকে একজন মুক্তি পান। পেয়ে পালিয়ে আসেন। ধরা পড়ে যাওয়ার ভয়ে তখন অন্যজনকেও ছেড়ে দেয় অভিযুক্তরা। ছাড়া পেয়ে অপহৃতরা জানান, তাঁদের ধরে রেখে বিপুল অঙ্কের টাকা দাবি করেছিল অপহরণকারীরা। এছাড়া, ল্যাপটপ থেকে বেশ কিছু ছবি ডিলিট করার জন্য জোরও করেছিল। ছাড়া পেয়ে পুলিশে অভিযোগ করেন দু’‌জনেই। পুলিশ তদন্তে জানতে পারে, আসলে ওই চার গুণ্ডাকে দিয়ে অপহরণ করিয়েছিল তিন বান্ধবী।
ঘটনায় জড়িত থাকায় তাদের শাস্তি হতে পারে ভেবে বেঙ্গালুরুর স্থানীয় আদালতে অন্তবর্তীকালীন জামিনের আবেদন করে তিন তরুণী। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত। অভিযুক্তের পক্ষের আইনজীবী বলেন, মেয়েরা অপহরণ করেনি, তাই তাঁদের গ্রেফতার করা ঠিক নয়। কিন্তু আদালত বলে, এখনও সেটি প্রমাণিত নয়। আগে থেকে জামিন দিলে তদন্ত প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটতে পারে। তাই এভাবে জামিন দেওয়া যাবে না।
Reporter Aniruddha Benerjee

রাজ্যে প্রতি সপ্তাহে ২ দিন সম্পূর্ণ লকডাউন, শুরু চলতি সপ্তাহ থেকেই

Web Desk: মারন ভাইরাস সংক্রমণের সংখ্যা বেড়েই চলেছে দিন দিন। নয়া রেকর্ড তৈরি হচ্ছে প্রতিদিনই। চলেছে জোন অনুযায়ী লকডাউন। তবে এবার রাজ্যে প্রতি সপ্তাহে দু’দিন করে সম্পূর্ণ লকডাউন ঘোষণার পথে হাঁটলেন রাজ্য সরকার।

এদিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে স্বরাষ্ট্র সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, রাজ্য সরকারের এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়। বৈঠকে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙতে  সপ্তাহে দু’দিন সম্পূর্ণ লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।  তিনি জানান, ‘এবার থেকে রাজ্যে সপ্তাহে দু’দিন করে লকডাউন থাকবে। চলতি সপ্তাহে বৃহস্পতিবার এবং শনিবার পুরোপুরি লকডাউন থাকবে। সব অফিস যাতে বন্ধ বন্ধ থাকে, সেজন্য আগে থেকেই দিন ঘোষণা করা হল।’ তবে প্রতি সপ্তাহে যে নির্দিষ্ট দিনেই পালন করা হবে, এমন কোনও কথা নেই। বরং কবে সম্পূর্ণ লকডাউন কার্যকর হবে, তা প্রতি সোমবার ঠিক করা হবে। 

তবে লকডাউনে কী কী গতিবিধি বা কাজ বন্ধ থাকবে, সে বিষয়ে কিছু জানানো না হলেও স্বরাষ্ট্র সচিবের কথা থেকে স্পষ্ট, শুধুমাত্র অত্যাবশ্যকীয় কাজে ছাড় মিলবে। বাকি সব কাজে বিধিনিষেধ থাকবে। Reporter Aniruddha Benerjee

প্রেমিকের সঙ্গে সহবাস স্ত্রীর, মেজাজ হারিয়ে মাসি ও মেসোশ্বশুরের গায়ে আগুন ধরাল যুবক!

Web Desk: পরকীয়ায় মজে দেড় মাস আগে স্বামীর ঘর ছেড়ে মাসির বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন স্ত্রী। মাসির বাড়িতেই প্রেমিকের সঙ্গে সহবাস শুরু করেন। সে খবর ছিল স্বামীর কাছেও। ক্ষুব্ধ স্বামী স্ত্রীকে বাড়ি ফেরাতে মাসিশ্বাশুড়ির বাড়িতেও আসে। কিন্তু ফিরতে রাজি হননি স্ত্রী। তারই পরিণতি হল মর্মান্তিক। এই আক্রোশে গভীর রাতে পেট্রল ঢেলে স্ত্রীর মাসি ও মেসোর গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয় ওই ব্যক্তি বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় মাসির। আশঙ্কাজনক অবস্থায় মেসো চিকিৎসাধীন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।

পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার বাসুদা গ্রামে সোমবার রাত প্রায় বারোটা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ জানায়, মৃতা জ্যোৎস্না মালের (৪২) স্বামী অজিত মাল (৪৭) আপাতত মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। ঘটনায় অভিযুক্ত কৃষ্ণ মালিকের বাড়ি হুগলির পাণ্ডুয়ায় বলে জানা গিয়েছে। পেশায় সোনা-রুপোর গয়নাশিল্পী। ঘটনার পর থেকেই সে পলাতক। তার খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।

ভাতারের কুমারুন গ্রামের মেয়ে রুমকির সঙ্গে প্রায় ৫ বছর আগে বিয়ে হয় কৃষ্ণর। তাঁদের একটি সন্তানও রয়েছে। রুমকির দাবি, তাঁর স্বামী বরাবরই তাঁর উপর অত্যাচার চালাত। রুমকির মা কৌশল্যাদেবী বলেন, “জামাইয়ের অত্যাচারেই আমার মেয়ে দেড় মাস আগে আমার কাছে চলে আসে। তারপর কথনও কুমারুনে, কখনও আমার বোন জোৎস্নার কাছে থাকছিল।” এদিকে রুমকি নিজেই জানান, তাঁর সঙ্গে গত পাঁচ মাস ধরে পাণ্ডুয়ার কাছাকাছি হরাল দাসপুর এলাকার এক যুবকের পরকীয়া সম্পর্ক চলছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, রুমকির সেই প্রেমিক রবিবার বাসুদা গ্রামে আসেন। দু’দিন ধরেই সেখানেই ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দা ধীরেন মাল, নিষাণ মালদের কথায়, “সোমবার কৃষ্ণ মাল তার স্ত্রীকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যেতে আসে। রুমকি যেতে রাজি হয়নি। এনিয়ে কৃষ্ণর সঙ্গে অজিত মালদের ঝামেলা হয়। তারপর কৃষ্ণ চলে যায় কাছেই বোনের বাড়ি। সুযোগ বুঝে গভীররাতে অজিত মালের বাড়িতে এসে এই কাণ্ড ঘটায় বলে জানতে পারি।”
Reporter Aniruddha Benerjee

কালনা পৌর এলাকায় উন্নয়ন নিয়ে তোপ দাগলেন বিজেপি নেতা সুশান্ত পান্ডে

Web Desk: বর্ধমান সামনে পৌরসভা নির্বাচন তারপর বিধানসভা নির্বাচনের সময়কাল ছিল। কিন্তু করোনার পরিস্থিতিতে নির্বাচন নিয়ে বড় সমস্যার মধ্যে পড়েছেন নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা। তবে দিনের পর দিন যেভাবে করোনা ভাইরাস এর পরিস্থিতি ক্রমবর্ধমান তাতে আগামী দিন কি হবে কেউ বলতে পারছেন না। আদৌ নির্বাচন কবে হবে তার বিষয়টি এখনও অনেকটা দূরে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের নেতারা।
তবুও ভারতীয় জনতা পার্টির নেতারা মনে করছেন নির্বাচন করোনা পরিস্থিতি একটু ভালোর দিকে এগুলোই নির্বাচন কমিশনার দিনক্ষণ ঠিক করে ফেলতে পারেন। তাই বসে থাকা নয় জনসংযোগ এবং শাসকদলের ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির ও অনুন্নয়নের কথা তুলে ধরেছেন বিজেপি নেতারা। বিজেপির পূর্ব বর্ধমান জেলার সহ-সভাপতি সুশান্ত পান্ডে অভিযোগ করেছেন যে কালনা পৌর এলাকায় একাধিক উন্নয়ন কে কেন্দ্র করে পৌরবাসীর নানান অভিযোগ রয়েছে। সুশান্ত পান্ডে অভিযোগ করেছেন যে কালনা পৌরসভা এলাকায় রয়েছে একটি ইলেকট্রিক চুল্লি। দীর্ঘদিন ধরে ইলেকট্রিক চুল্লি একটা ভেঙেছ অবস্থার মধ্যে দিয়ে মৃতদেহ সৎকার করা হচ্ছে যাকে না এলাকার ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে বাসিন্দারা অতিষ্ঠ হয়ে উঠছেন অভিযোগ মরাদেহের দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে এবং পুরা দুর্গন্ধ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে এর ফলে দূষণ মাত্রা বেড়ে যাচ্ছে কিন্তু প্রশাসনিক কর্তারা কোনরকম গুরুত্ব দিয়ে ভাবছেন না বিষয়টি অভিযোগ ওই বিজেপি নেতার। তিনি মনে করছেন শাসক দলের নেতারা দ্রুত ইলেকট্রিক চুল্লি সংস্কার করে মৃতদেহ সৎকার করুক যাতে কোনরকম দুর্গন্ধ এলাকায় না ছড়ায়।
এছাড়াও তিনি অভিযোগ করেছেন যে জল নিকাশি ব্যবস্থার কোনো উন্নতি ঘটেনি পৌর এলাকায়। শহরের ৯,১২,১৩,১৭, পৌর এলাকায় বেহাল জল নিকাশি ব্যবস্থা ফলে বৃষ্টি হলেই জল জমে যায় এবং মানুষের চরম অসুবিধা হয়।
এছাড়াও পরিযায়ী শ্রমিকদের বিষয়ে পৌরসভা সম্পূর্ণভাবে উদাসীন। কয়েক হাজার পরিযায়ী শ্রমিক তারা কাজ না পাওয়ায় চরম আর্থিক সংকটের মধ্যে পড়েছেন আমরা বারবার বলেছি পরিযায়ী শ্রমিকদের কাজ দিয়ে সংসারে সদস্যদের মুখে হাসি ফোটাতে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত পৌর প্রশাসক সে বিষয়ে নজর দিচ্ছেন না। এছাড়াও আগামী পৌর নির্বাচনের আগে আমরা শাসকদলের উন্নয়ন নিয়ে যে তালিকা মানুষের কাছে তুলে ধরেন সে বিষয়ে আমরা প্রকৃত কি উন্নয়ন হয়েছে মানুষের কাছে যে জানাবো। আমরা বিশ্বাস রাখি মানুষ আমাদের সাথে আছেন পাশে আছেন আগামী দিন বিজেপি ক্ষমতা দখল করবে পৌরসভা ও বিধানসভা।
Reporter Aniruddha Benerjee

চুঁচুড়াতেও সংক্রমণ বৃদ্ধি, পুরসভার ভূমিকায় প্রশ্ন

Web Desk: চন্দননগর, উত্তরপাড়ার পরে হুগলির জেলা সদর চুঁচুড়াতেও করোনা পরিস্থিতি জটিল হচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে পুরসভার ভূমিকা নিয়ে।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩০টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১১টিতে পঞ্চাশেরও বেশি সংক্রমিতের খোঁজ মিলেছে। তাঁদের মধ্যে কাপড়ের দোকানের মালিক, লজ-মালিক, আইনজীবীও রয়েছেন। চুঁচুড়া পুলিশ-ব্যারাকেরও দু’জন সংক্রমিত হয়েছেন। ইতিমধ্যে একটি ব্যাঙ্ক এবং মাছের আড়ত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু সামান্য দু’একটি পদক্ষেপ ছাড়া পুরসভাকে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সার্বিক ভাবে নামতে দেখা যাচ্ছে না বলে অনেক শহরবাসীরই অভিযোগ। সম্প্রতি পুরসভায় নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগকে ঘিরে শহরে হইচই হয়। তারপর থেকেই পুর প্রশাসন গুটিয়ে রয়েছে বলেও দাবি করেছেন অনেকে।

চেয়েও পুরসভা থেকে অ্যাম্বুল্যান্স মিলছে না, এ অভিযোগও শোনা যাচ্ছে। শহরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বনানী সাহার অভিযোগ, ‘‘ক’দিন আগে বাড়ির একজন অসুস্থ হয়ে পড়ায় আমি চেয়েও পুরসভা থেকে অ্যাম্বুল্যান্স পাইনি।’’ শহরের চিকিৎসকদের একাংশ মনে করছেন, সংক্রমিতেরা বহু লোকের সংস্পর্শে এসে থাকতে পারেন। তাই যাঁরা ইতিমধ্যেই তাঁদের কাছাকাছি এসেছিলেন, তাঁদের চিহ্নিত করে সতর্কতার জন্য নিভৃতবাসে পাঠানো উচিত পুরসভার। পুরসভা লাগোয়া মিটিং হলে আশ্রয় নেওয়া পরিযায়ী শ্রমিকদের করোনা পরীক্ষারও দাবি উঠেছে।
সমস্যা যে জটিল হচ্ছে, মানছেন পুর প্রশাসনের পরিচালন কমিটির সদস্য তথা বিদায়ী ভাইস-চেয়ারম্যান অমিত রায়। তাঁর দাবি, ‘‘প্রতিটি ওয়ার্ডে জীবানুনাশক স্প্রে করা হচ্ছে। সংক্রমণ রুখতে আমরা দমকলের সাহায্যে রাস্তা ধোয়ার কাজও করছি। আরও কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মানুষ প্রয়োজনে পুরসভার হেল্প-ডেক্সে ফোন করলেই পরিষেবা পাবেন। পুরসভার অ্যাম্বুল্যান্স-চালকদের স্বাস্থ্য-বিমা রয়েছে। পরিষেবা না-মেলার কথা নয়। বিষয়টি খোঁজ নেব।’’
চুঁচুড়ার ঘড়ির মোড় এমন একটি জায়গা, ঐতিহ্যগত ভাবে যেখানে সারা বছর সব দলেরই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চলে। জেলাশাসক এবং পুলিশ কমিশনারের অফিস কাছেই। তাই প্রতিটি রাজনৈতিক দলই তাঁদের নানা দাবি-দাওয়া নিয়ে জেলার পদস্থ কর্তাদের স্মারকলিপি দিতে আসেন। কর্মী-সমর্থকেরা জড়ো হন ঘড়ির মোড়ে। তবে, শহররাসী এখন আর কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি চাইছেন না। তাঁরা মনে করছেন, এতে সংক্রমণ বহু গুণ বেড়ে যাবে।
শহরের এক প্রবীণ শিক্ষক বলেন, ‘‘এই রোগ সংক্রমণ প্রতিরোধে একমাত্র অবলম্বন সতর্কতা। তাই সব মানুষেরই উচিত সহ-নাগরিকের দিকে তাকিয়ে নিজেকেও সাবধানে রাখা।’’ 
শাসকদলের এক প্রবীণ নেতা মানছেন, সম্প্রতি ১৯ এবং ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে তাঁরা দু’টি কর্মসূচি করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘আমরা তো তখন জানতাম না শহরের এই পরিস্থিতি। আপাতত সব বন্ধ। আমরা যে হেতু প্রশাসনে আছি, আমাদের আগে দায়িত্বশীল হতে হবে।’’
Reporter Aniruddha Benerjee

আইনজীবীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করলেন সুপ্রিম কোর্ট!

Web Desk: ভারতীয় বিচারব্যবস্থা বিরুদ্ধে মন্তব্য করায় বিপাকে পড়লেন বিশিষ্ট আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ। তাঁর বিরুদ্ধে স্বপ্রনোদিত ভাবে মামলা দায়ের করলেন খোদ দেশের শীর্ষ আদালত। আজ বুধবার সুপ্রিম কোর্টে তিন সদস্যের বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হবে। 

জানা গেছে,বিচারব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে মন্তব্য করার জন্যই প্রশান্ত ভূষণে বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।  তবে শুধু প্রশান্ত ভূষণ নয়, এই মামলায় টুইটারকেও পার্টি করে নিয়েছে আদালত। 

ঠিক কোন টুইটের জন্য বিচারব্যবস্থার রোশে পড়েছেন প্রশান্ত ভূষণ, তা স্পষ্ট নয়। তবে সম্প্রতি তিনি একটি টুইট করেছিলেন যেখানে তিনি অভিযোগ করেছেন যে ভারতে গণতন্ত্র ধ্বংস হয়েছে ও এতে সুপ্রিম কোর্ট ও তার শেষ চার প্রধান বিচারপতির বড় হাত আছে।  বিভিন্ন সময়ে তিনি বিচার ব্যবস্থায় দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন। এমনকী অভিযোগের আঙুল তুলেছেন প্রধান বিচারপতিদের উদ্দেশ্যে। এমনকী বর্তমান প্রধান বিচারপতি কেন হারলে ডেভিডসন বাইক চড়ছেন, সেই নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি। আদৌ তিনি আদালত অবমাননা করেছেন কিনা, বিচারপতি অরুণ মিশ্রর বেঞ্চ সেটি ঠিক করবে। এর জেরেই বিপাকে পড়েছেন তিনি।
Reporter Aniruddha Benerjee

আজ মাধ্যমিকের মার্কশিট বিতরণ, দেওয়া হবে ২ দিন ধরে

Web Desk: রাজ্য সরকারের নতুন নিয়ম অনুযায়ী ‌বৃহস্পতিবার রাজ্যজুড়ে লকডাউন। সেজন্য মাধ্যমিক পরীক্ষার মার্কশিট ও সার্টিফিকেট বিতরণের দিন বদল করলেন মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। আজ (বুধবার) এবং শুক্রবার পর্ষদের ক্যাম্প অফিস থেকে মার্কশিট দেওয়া হবে বলে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। এরপরে স্কুলগুলি থেকে তা পরীক্ষার্থীদের অভিভাবকদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

গত ১৫ জুলাই মাধ্যমিকের ফল প্রকাশের দিন পর্ষদের সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে এবার দিনের দিন মার্কশিট ও সার্টিফিকেট পাবেন না পরীক্ষার্থীরা। পরিবর্তে আগামী ২২ জুলাই (বৃহস্পতিবার) পর্ষদের বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে স্কুলের প্রতিনিধিদের মার্কশিট ও সার্টিফিকেট বিতরণ করা হবে। সেজন্য যাবতীয় সুরক্ষাবিধিও মেনে চলা হবে বলে জানান তিনি। এরইমধ্যে গত সোমবার রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়, করোনার সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙতে প্রতি সপ্তাহে দু’দিন রাজ্যজুড়ে সম্পূর্ণ লকডাউন কার্যকর হবে। তার জেরে মার্কশিট ও সার্টিফিকেট বিতরণের দিন পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয় পর্ষদ। বিজ্ঞপ্তি জারি জানানো হয়, বৃহস্পতিবারের পরিবর্তে বুধবার (২২ জুলাই) এবং শুক্রবার (২৪ জুলাই) তা পর্ষদের ক্যাম্প অফিস থেকে মার্কশিট দেওয়া হবে।
Reporter Aniruddha Benerjee

হ্যান্ড স্যানিটাইজারে অ্যালকোহল, রক্তপরীক্ষা করার নির্দেশ ট্রেনচালকদের!

Web Desk: করোনা ভাইরাস মহামারিতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করায় ডাহা ফেল ট্রেনচাকলকেরা। রেলের নিয়ম অনুযায়ী, লোকোমোটিভ চালকদের ডিউটিতে যোগ দেওয়ার আগে ব্রেথ অ্যালকোহল টেস্ট দিতে হয়। সেই পরীক্ষায় পাশ না করলে তাঁদের ইঞ্জিন নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়ন। কিন্তু সম্প্রতি করোনা পরিস্থিতিতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারের জেরে প্রায় রোজই পরীক্ষায় ডাহা ফেল করছেন চালকরা।

কারন হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ব্যবহৃত করা হয় অ্যালকোহল। এর জেরে অ্যালকোহল ভিত্তিক হ্যান্ড স্যানিটাইজার লোকোমোটিভ পাইলটদের ব্যবহার না করার জন্য নির্দেশ জারি করলেন। ডিউটিতে যোগ দেওয়ার অন্তত আধ ঘণ্টা তা ব্যবহার করবেন। সম্প্রতি লোকোমোটিভ পাইলটদের উদ্দেশে এই নির্দেশ জারি করেছে পশ্চিম মধ্যম রেলওয়ে।

জানা গিয়েছে, গত সপ্তাহে ব্রেথ অ্যানালাইজার যন্ত্রের সাহায্যে করা পরীক্ষায় (BAT) ফেল করেছেন প্রায় ৬ জন ইঞ্জিন চালক। অথচ তাঁরা সকলেই দাবি করেন যে কাজে যোগ দিতে আসার আগে মদ্যপান করেননি। এর জেরে ওই যন্ত্রের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিভ্রান্ত চালকরা। ওই ছয় চালকের রক্তপরীক্ষা রিপোর্টেও যখন মদ্যপানের প্রমাণ পাওয়া গেল না, তখন অনুসন্ধানে নামে রেল। দেখা যায়, কাজে আসার আগে ছয় জনের প্রত্যেকেই অ্যালকোহল ভিত্তিক হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করেছিলেন। আর তাতেই ভুল বুঝে তাঁদের বিরুদ্ধে মদ্যপানের নালিশ জানিয়েছে যন্ত্র। ফলে এবার অ্যালকোহল ভিত্তিক হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার না করার নির্দেশ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট দফতর।
Reporter Aniruddha Benerjee

করোনায় সংক্রমিত হলেন দিনহাটার তৃণমূল বিধায়ক উদয়ন গুহ

Web Desk: মারন ভাইরাস করোনায় সংক্রমিত হলেন তৃনমূলের আরেক বিধায়ক। মঙ্গলবার রাতে কোচবিহারের দিনহাটার তৃনমূল বিধায়ক উদায়ন গুহ-এর করোনার রিপোর্ট পজেটিভ এসেছে। 

বিধায়ক জানিয়েছেন, শরীরে কোনো উপসর্গ না থাকলেও কয়েকদিন আগে সন্দেহের বশে লালারসের নমুনা পরীক্ষা জন্য পাঠিয়েছিলেন। এরপরেই বিধায়কের রিপোর্ট পজেটিভ এসেছে মঙ্গলবার। ওই বিধায়কের সংস্পর্শে আসা ব্যাক্তিদের কোয়ারেন্টাইনে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। 
Reporter Aniruddha Benerjee

দুষ্কৃতীদের গুলিতে নিহত সাংবাদিক, সিসিটিভি ফুটেজে রেকর্ড

Web Desk: দুষ্কৃতীদের ছোড়া গুলিতে নিহত হলেন এক সাংবাদিক। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার রাতে ‌উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদে। মাথায় গুলি করে খুন করে দুষ্কৃতীরা। পুরো ঘটনাটি সিসিটিভি ফুটেজে রেকর্ড হয়েছে। মঙ্গলবার গাজ়িয়াবাদের হাসপাতালে চিকিৎসা চলাকালীন মৃত্যু হয় সাংবাদিক বিক্রম জোশির। 

জানা গেছে,সোমবার রাত সাড়ে 10টা নাগাদ বিক্রম জোশির উপর হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা।গাজ়িয়াবাদের বিজয় নগর এলাকার একটি রাস্তার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, দুই মেয়ের সঙ্গে বাইকে ছিলেন বিক্রম ৷ এক দল দুষ্কৃতী বাইকটি ঘিরে ফেলে ৷ তারপর তাঁকে ধাক্কা

দেওয়ার পাশাপাশি মারতেও থাকে ৷ বাইকটি রাস্তার উপর পড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দুই শিশুকে পালিয়ে যেতে দেখা যায়৷ তাঁকে দুষ্কৃতীরা টেনে হিঁচড়ে একটি গাড়ির সামনে নিয়ে আসে ৷ এরপরই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলি লাগে মাথায়। ঘটনাস্থান থেকে পালানোর আগে ফের তাঁকে ধাক্কা দেয় ৷

 গুরুতর জখম অবস্থায় তাকে গাজ়িয়াবাদের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে মঙ্গলবার তার মৃত্যু হয়। তবে কি কারণে তার খুন করা হয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে পুলিশ এই ঘটনায় নয় জনকে গ্রেফতার করেছে।
Reporter Aniruddha Benerjee