Unknown's avatar

About News Bally

News all time

অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন সুশান্তের বাবা, অঙ্কিতার সঙ্গে প্রেম-বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন তিনি

Webdesk:একমাত্র ছেলের মৃত্যু শোক তাকে যেন পাথর করে দিয়েছিল। এ ক’দিন শুধুই ছেলের ছবিটার সামনে বসে চোখের জল ফেলেছেন তিনি । আবার নিজের সমস্ত দায়িত্ব-কর্তব্যও পালন করতেও ভোলেননি। আর হতভাগ্য পিতা হয়তো নিজের মনের মধ্যেও সেই উত্তর খুঁজে গিয়েছেন নিরন্তর, কেন এমন করল ছেলেটা?

সুশান্তের মৃত্যুর ১২ দিন কেটে গিয়েছে।তাঁর আত্মার শান্তি কামনায় রীতি মেনে সমস্ত শ্রাদ্ধশান্তিও সমাপ্ত।সুশান্তের পটনার বাড়িতেই আয়োজন করা হয়েছিল তাঁর স্মরণসভার। সেখানেও ছেলের ছবির সামনে স্থির হয়ে বসে থাকতে দেখা গিয়েছিল অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মী কেকে সিং’কে। অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন সুশান্ত সিং রাজপুতের বাবা।

এ দিন সুশান্তের মৃত্যু, প্রেম, সম্পর্ক নিয়ে তাকে প্রশ্ন করা হলে অঙ্কিতার প্রসঙ্গ উঠে আসে তার কথায়। তিনি স্পষ্টই জানান, অঙ্কিতা পটনার বাড়িতেও এসেছিলেন। তার সঙ্গেই সুশান্তের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল ২০১৬-র শেষ দিকে। কিন্তু ওই বছরের শুরুতেই তাদের ৬ বছরের সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়। কিন্তু কেন এই সম্পর্ক পূর্ণতা পেল না, কেনই বা অঙ্কিতার সঙ্গে বিচ্ছেদ করলেন নায়ক? এর উত্তরে কেকে সিং বলেন, এটা তো একটা বন্ধন।যা হওয়ার তাতো হবেই।

সম্প্রতি বাবা-ছেলের মধ্যে বিয়ে নিয়ে কোনও কথা হয়েছিল? সুশান্তের বাবা জানান, হয়েছিল। তবে রিয়া’কে তিনি চেনেন না।

সুশান্ত বলেছিলেন, এখন করোনার কারণে বিয়ে করা যাবে না। তারপর একটা ছবি হাতে আছে। সেটা হয়ে গেলে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চ নাগাদ দেখা যাবে।  

তবে কাকে সুশান্ত বিয়ে করবেন তা নাকি জানতেন না। এমনকি অঙ্কিতা ছাড়া ছেলের কোনও বান্ধবীর বিষয়ে তার কোনও ধারণা নেই।

বড় আদরের আর বাবা-মায়ের অনেক আশার ফসল ছিলেন সুশান্ত । চার বোনের একমাত্র ছোট ভাই, পরিবারের একমাত্র ছেলে…সুশান্ত সিং রাজপুত। পরপর চার বার মেয়ে হওয়ার পর সুশান্তের বাবা-মা একটি ছেলের আশায় তিন বছর ধরে প্রার্থনা করেছিলেন। তারপরেই কোলে এসেছিলেন সুশান্ত। সুশান্তের বাবা আরও জানিয়েছেন, ছোট বয়সে খোলামেলা স্বভাবের থাকলেও বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সুশান্ত চাপা স্বভাবের হয়ে যান। তার মনের ভিতরের কথা জানা সম্ভব ছিল না। Developed Reporter: Shrinjoy Ghosh

চিনা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ভারতের পাশে আমেরিকা, যুদ্ধপ্রস্তুতি শুরু মার্কিন সেনার

NewsBally webdesk: ক্রমেই বেড়ে চলেছে চিনা আগ্রাসন। তাতেই মুখ ভার হচ্ছে আমেরিকার (America)। ভারত-চিন প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক সংঘর্ষকেও মোটেই ভালো চোখে দেখছে না মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তাই দেরি না করে এইবেলাই এশিয়ার দেশগুলিতে মার্কিন সেনাকে প্রস্তুত করে রাখতে চায় আমেরিকা। ফলে ইউরোপের দেশগুলি থেকে কমছে মার্কিন সেনার সংখ্যা।সীমান্ত সংঘর্ষ নিয়ে ভারত-চিনের মধ্যে বৈঠক চলছে দফায় দফায়। কিন্তু সমাধান সূত্র এখনও অধরা। ১৫ জুনের পর থেকেই ইন্দো-চিন দুই দেশ আলোচনার মাধ্যমেই সমঝোতার প্রসঙ্গ তুলে ধরলেও বাস্তবে তার কোনও ইঙ্গিতই মিলছে না। নিজের অবস্থানে অনড় থাকছে চিন। অপরদিকে চিনের এই আগ্রাসী মনোভাবকে মোটেই মেনে নিতে পারছে না আমেরিকা। বৃহস্পতিবার ব্রাসেলসের এক ভিডিও বৈঠকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশসচিব মাইক পম্পেও (Mike Pompeo) জানান, “ভারত, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং ফিলিপিন্সের মতো এশিয় দেশগুলির উপর যেভাবে রণংদেহী মনোভাব নিয়েছে চিন তা যথেষ্টই উদ্বেগের।” তবে প্রশ্ন ছিল ইউরোপ থেকে কেন মার্কিন সেনাকে সরিয়ে নিচ্ছে আমেরিকা? সেই প্রশ্নের জবাবে মার্কিন বিদেশ সচিব বলেন, “বর্তমানে যেখানে বেশি প্রয়োজন সেখানেই সেনা মোতায়েন করা হচ্ছে।”বৃহস্পতিবার চিনের কমিউনিস্ট পার্টির সমালোচনাও করেন মার্কিন বিদেশসচিব মাইক পম্পেও। তাঁর কথায়, “চিনের কমিউনিস্ট পার্টির পদক্ষেপ শুধু ভারতের জন্য হুমকি নয়। ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া (Indonesia), মালয়েশিয়া (Malaysia), ফিলিপিন্সও (Philippines) চিনের হুমকির মুখে। বর্তমানের পরিস্থিতিকে সামাল দিতে মার্কিন সেনাকে জার্মানি থেকে সেরিয়ে আনা হচ্ছে।” মার্কিন বিদেশ সচিব যে শুধুমাত্র ইন্দো-চিন সীমান্ত সংঘাতে ক্ষুব্ধ তা নয়, দক্ষিণ চিন সাগরে চিনের তত্‍‌পরতা নিয়েও ক্ষোভপ্রকাশ করেন তিনি।এদিন মার্কিন বিদেশ সচিবের কথায় চিনের লালফৌজকে মোকাবিলা করার স্পষ্ট আভাস পাওয়া যায়। গত সপ্তাহেও মাইক পম্পে চিনের সেনাবাহিনীর সমালোচনা করেছিলেন। ভারতের সঙ্গে সীমান্ত উত্তেজনা বৃদ্ধি ও কৌশলগতভাবে দক্ষিণ চিন সাগরের সামরিকীকরণের জন্যে চিনাবাহিনীর নিন্দা করেন তিনি।Developed Reporter Samrat Ghosh

নেটদুনিয়ায় ক্রমাগত আক্রমণ, অভিমানে মুম্বই ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের বোর্ড থেকে ইস্তফা করণ জোহরের!

NewsBally webdesk: নেপোটিজম কিংবা স্বজনপোষণ বিতর্কের জের, মুম্বই অ্যাকাডেমি অফ দ্য মুভিং ইমেজ (Mumbai Academy of the Moving Image), যাকে সংক্ষেপে সিনেপ্রেমীরা MAMI বলেই চেনেন, ঐতিহ্যশালী সেই ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল কর্তৃপক্ষের বোর্ড থেকে ইস্তফা দিলেন করণ জোহর (Karan Johar)! নেপোটিজম নিয়ে নেটদুনিয়ায় এত শোরগোল, একের পর এক কদর্য আক্রমণের জেরেই কি এই সিদ্ধান্ত? উঠছে প্রশ্ন।ঠিক কী হয়েছে? ইন্ডাস্ট্রি সূত্রে খবর, সম্প্রতি করণ জোহর মুম্বই ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অর্থাৎ MAMI’র বোর্ড থেকে পদত্যাগ করেছেন। কারও সঙ্গে কোনওরকম আলোচনা না করেই এই সিদ্ধান্ত নিয়ে তড়িঘড়ি ইস্তফাপত্র জমা দিয়েছেন বোর্ডের পরিচালক স্মৃতি কিরণের কাছে। এমনকী, ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের এই ঐতিহ্যবাহী ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের বোর্ড থেকে সদস্য পদ ছাড়ার আগে করণ জোহর নাকি দ্বিতীয়বার এই সিদ্ধান্ত নিয়ে পর্যালোচনা করারও পক্ষপাতী ছিলেন না। সূত্রের খবর বলছে, MAMI বোর্ডের সভাপতি অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোনও (Deepika Padukone) করণের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে তাঁকে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন। এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়ানোর অনুরোধও জানিয়েছেন। কিন্তু তাতেও কোনও লাভ হয়নি।কারণ? প্রযোজক-পরিচালকের ধারণা সুশান্তের মৃত্যুর পর থেকে যেভাবে অপমানিত হচ্ছেন তিনি নেটদুনিয়ায়, বলিউডের কেউই তাঁর পাশে এসে দাঁড়াননি এই সময়ে। এমনকী আলিয়া ভাট, বরুণ ধাওয়ানের মতো বহু স্টার-কিডদের লঞ্চ করার নেপথ্যে তিনি থাকলেও এই দুঃসময়ে কেউ নেই তাঁর পাশে! আর সেই অভিমানেই তিনি নাকি MAMI’র বোর্ড থেকে পদত্যাগ করেছেন। সূত্রের খবর অন্তত এমনটাই বলছে।একটা মুত্যু যে গোটা বিনোদন ইন্ডাস্ট্রিকে এভাবে নাড়িয়ে দেবে, তা বোধহয় কেউ কল্পনাও করতে পারেননি! সুশান্ত সিং রাজপুতের আকস্মিক মৃত্যু বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে বেশ কয়েকটি বিতর্ক জন্ম দিয়েছে। নেপোটিজম থেকে শুরু করে প্রতিপত্তিশালীদের হুমকি দেওয়া, এমন অনেক বিষয়ই উঠে আসছে। নেপোটিজম নিয়ে অভিযোগের তীর মূলত করণ জোহরের দিকে। শুরুটা অবশ্য বছর খানেক আগে কঙ্গনা রানাউত নিজেই করে দিয়েছিলেন, করণকে নেপোটিজম-এর ‘ঝাণ্ডাধারী’ বলে। সুশান্তের মৃত্যুর পর ফের একবার সেই বিষয়টি মাথা চাড়া দিয়ে উঠল। জল এতদূর গড়িয়েছে যে, নেটিজেনদের কদর্য মন্তব্য বাণে বিদ্ধ হয়ে করণ টুইটারে সমস্ত তারকাদের আনফলো করে দিয়েছেন। সেই তালিকায় রেখেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী-সহ শুধু ৮জনকে!উপরন্তু করণ জোহরের ‘কফি ইউথ করণ’ (Coffee With Karan) শো-ও বিপদের মুখে। ঘনিষ্ঠ সূত্রের খবর, এমন পরিস্থিতির জেরে সংশ্লিষ্ট শোয়ের চ্যানেল কর্তৃপক্ষ নাকি ‘কফি ইউথ করণ’-এর নতুন সিজন আনতেই চাইছেন না। পাছে, সেই চ্যানেলকেই না বয়কটের ডাক ওঠে! সবমিলিয়ে করণ জোহর বেশ প্রতিকূল অবস্থার মধ্যেই পড়েছেন!Developed Reporter Samrat Ghosh

বাড়ছে যুদ্ধের সম্ভাবনা, এবার পাকিস্তানে ঘাঁটি গেড়েছে চিনা বায়ুসেনা

পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে তৈরি ভারতও।লাদাখ নিয়ে কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা চললেও লাগাতার বাড়ছে যুদ্ধের সম্ভাবনা। আগ্রাসনের পথ থেকে যে সরছে না চিন, তা স্পষ্ট করে এবার পাকিস্তানে দেখা গেল চিনা বায়ুসেনার তৎপরতা। পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে তৈরি ভারত।সূত্রের খবর, পাকিস্তানের (Pakistan) তিনটি বিমান ঘাঁটিতে মোতায়েন রয়েছে ‘পিপলস লিবারেশন আর্মি এয়ারফোর্স’-এর বা চিনা বায়ুসেনার যুদ্ধবিমান। শুধু তাই নয়, কান্দানওয়ারি, রহিম যার খান ও সুককুর বিমানঘাঁটিতে মজুত রয়েছে লালফৌজের কয়েকশো জওয়ান। জানা গিয়েছে, পাক বিমানঘাঁটিগুলিতে চিনের প্রায় ২০টি JF-17, J-20-সহ অন্য বিমান রয়েছে। দু’দেশের মধ্যে যুদ্ধ বাঁধলে পাকিস্তানের মদতে পাঞ্জাব, রাজস্থান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের দিকে ‘সেকেন্ড ফ্রন্ট’ খুলতে পারে চিন (China) বলেই মত প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের।এদিকে, গোটা পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে ভারত (India)। চিন ও পাকিস্তানের সঙ্গে দুই ফ্রন্টে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত ভারতীয় বায়ুসেনা। তবুও কোনও ঝুঁকি না নিয়ে সামরিক শক্তি বাড়াতে রাশিয়ার কাছ থেকে ‘9K38 Igla’ মিসাইলের দ্রুত আমদানি করতে চলেছে ভারত। জমি থেকে আকাশে আঘাত হানতে সক্ষম এই মিসাইলটিতে ‘ইনফ্রারেড সিকার’ রয়েছে। এর মদতে ভারতীয় আকাশ সীমায় ঢুকলে চিনা ও পাকিস্তানী যুদ্ধবিমানকে সহজেই ধরাশায়ী করতে পারবে ভারতীয় ফৌজ। শুধু তাই নয়, লাদাখে লাগাতার টহল দিচ্ছে ভারতীয় বায়ুসেনার সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমান। সব মিলিয়ে হানাদার চিনা ফৌজকে নাকানিচোবানি খাওয়াতে তৈরি দেশ। উল্লেখ্য, চিনের উপর চাপ সৃষ্টি করে সম্প্রতি পূর্ব চিন সাগরের কাছে মিসাইল মোতায়েন করেছে জাপান। প্রশান্ত মহাসাগরে যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করেছে আমেরিকাও। নিয়তির পরিহাসে ও পরিবর্তিত সমিকরণে আজ ভারতের পাশেই দাঁড়িয়েছে ১৯৭১ সালের আগ্রাসী মার্কিন নৌবহর।Developed Reporter Samrat Ghosh

হু হু করে বাড়ছে পেট্রল ও ডিজেলের দাম, প্রতিবাদে যাদবপুরে সাইকেল মিছিল সুজনের

কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ধিক্কারও জানান মিছিলকারীরা।ভারতে ক্রমশই ঊর্ধ্বমুখী পেট্রল (Petrol) ও ডিজেলের (Diesel) দাম। টানা কয়েকদিন ধরে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে দাম। তারই প্রতিবাদে শুক্রবার সাইকেল মিছিলে বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী (Sujan Chakraborty)। ঢাকুরিয়ায় ইন্ডিয়ান অয়েল দপ্তরে অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছিল দলের তরফে। সেই অনুযায়ী এদিন যাদবপুরের এইট বি বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু হয় মিছিল। ওই মিছিল থেকে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ধিক্কারও জানান তিনি।মিছিলকারীদের দাবি, গত প্রায় দশদিন ধরে দেশজুড়ে করোনার (Coronavirus) সংক্রমণের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। ঠিক তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েই চলেছে পেট্রল ও ডিজেলের দাম। তারই প্রতিবাদে প্রায় রোজই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে শামিল সিপিএমের ছাত্র, যুব ও মহিলা সংগঠন। শুক্রবার তাঁদের কর্মসূচি ছিল ঢাকুরিয়ায় ইন্ডিয়ান অয়েল দপ্তরে অভিযান। সেই অনুযায়ী সাইকেলে চড়ে যাদবপুরের এইট বি বাসস্ট্যান্ড থেকে রওনা দেন বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী-সহ দলের বহু নেতা-কর্মী। তাঁদের দাবি, তেল উৎপাদনকারী দেশগুলি আন্তর্জাতিক বাজারে সস্তায় তেল বিক্রি করছে। অথচ এদেশে তার এত মূল্যবৃদ্ধি কেন? কেন্দ্রীয় সরকার তো গত লোকসভা নির্বাচনের আগেও আশ্বাস দিলেও এদেশে তেলের দাম কমানোর প্রতিশ্রুতি রাখেনি বলেও অভিযোগ। রাজ্য সরকার কেন এই পরিস্থিতিতে তার ‘সেস’ বাবদ আদায়ে ছাড় দিচ্ছে না, সেই প্রশ্নও তোলেন মিছিলকারীরা। এর আগে বৃহস্পতিবারও মৌলালি থেকে আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু রোড ধরে এগিয়ে যায় জোড়া গির্জার পেট্রল পাম্প পর্যন্ত মিছিল করে এসএফআই, ডিওয়াইএফআই এবং গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতি। এসএফআই, ডিওয়াইএফআই এবং সারা ভারত গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির সদস্যা-কর্মীরা অনেকেই স্কুটার, মোটর সাইকেল হাঁটিয়ে আনেন প্রতীকী প্রতিবাদ করেন। মিছিল শেষে মহিলা সমিতি পশ্চিমবঙ্গ কমিটির সাধারণ সম্পাদিকা কনীনিকা ঘোষ বোস-ঘোষ, এসএফআই রাজ্য সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য এবং ডিওয়াইএফআই রাজ্য সম্পাদক সায়নদীপ মিত্র বক্তব্যও রাখেন। পেট্রল, ডিজেলের দাম কমাতে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে প্রতিবাদ আরও তীব্র আকার নেবে বলেই হুঁশিয়ারি মিছিলকারীদের।Developed Reporter Samrat Ghosh

কাশ্মীরে শহিদ বাংলার যুবক, শোকের ছায়া সবংয়ের গ্রামে

দেশকে রক্ষা করতে গিয়ে ফের শহিদ হলেন সবংয়ের এক যুবক। বছর দুয়েক আগে সবং থানার দশগ্ৰামের আরেক বীর জওয়ান শহিদ হয়েছিলেন। শুক্রবার দুপুরের অন্ততনাগে সন্ত্রাসবাদীদের গুলি ঝাঁঝরা করে দেয় সবংয়েরই বাসিন্দা শ্যামল কুমার দে-কে। দুপুরে গ্রামের ছেলের মৃত্যুর খবর সামনে আসতেই সবং থানার ডাঁডরা গ্ৰাম পঞ্চায়েতের সিংপুর গ্ৰামে শোকের ছায়া নেমে আসে।একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে শোকে পাথর হয়ে গিয়েছেন বাবা বাদল দে। বারবার জ্ঞান হারাচ্ছেন মা শিবানী দে-ও। একমাত্র ছেলের মৃত্যু সংবাদ এখনও বিশ্বাস করতে পারছেন না তাঁরা।  ধরে আসা গলায় বাদল দে বলেন, “আজই সকাল সাড়ে এগারোটায় ছেলের সঙ্গে কথা হয়। তখন নবনির্মিত বাড়ির জলের পাইপ কিনতে গিয়েছিলাম। ছেলেকে পাইপের ছবি হোয়াটসঅ্যাপে দেখানো হয়। তারপর দেড়টার সময় আবার ফোন করি। তখন ছেলের ফোন বেজে যায়।” ,সেই সময়ই সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে গুলির লড়াই চলছিল। এরপরই দুসংবাদটা আসে। এক কম্যান্ডার ফোন করে খবরটা দেন। বাদলবাবু জানালেন, গত ডিসেম্বরে বাড়িতে ছুটি নিয়ে শেষবার বাড়ি এসেছিলেন শ্যামল। বাড়ি সম্পূর্ণ হওয়ার পর বিয়ের জন্য মেয়ে দেখার কথা ছিল। পরিবারের একমাত্র রোজগেরে ছিলেন শ্যামল। ২০১৫ সালে এই যুবক সিআরপিএফে যোগদান করেন। পাঁচ বছরের মধ্যে গোটা পরিবারের সমস্ত স্বপ্ন ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গেল জঙ্গিদের নৃশংস আক্রমণে।খবর পেয়ে নিহত জওয়ানের বাড়িতে বিকালে যান রাজ্যসভার সাংসদ মানস ভুঁইয়া, বিধায়ক গীতা ভুঁইয়া, বিডিও অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়,সবং থানার ওসি-সহ অনেকে। মানস ভুঁইয়া শোক প্রকাশ করে বলেছেন, “বুকে পাথর চেপেও বলছি আমরা গর্বিত।” তবে বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারকে দুর্বল উল্লেখ করে তিনি বলেন,” আর কত বাবা মায়ের কোল খালি হবে?” অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (খড়গপুর) কাজি সামসুদ্দিন আহমেদ জানান, শনিবার জওয়ানের দেহ গ্রামে পৌঁছে যাবে। জওয়ানের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্যের প্রস্তুতি চলছে।Developed Reporter Samrat Ghosh

মুরগি থেকে ছড়াচ্ছে সালমোনেল্লা ব্যাকটেরিয়া, করোনা আবহে নতুন আতঙ্ক আমেরিকায়

ইতিমধ্যেই আমেরিকায় এই ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে একজনের মৃত্যু হয়েছে।করোনা আবহে নতুন সমস্যা। ভাইরাসের পর এবার ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের খবর মিলল মানুষের শরীরে। সালমোনেল্লা (Salmonella) নামের এই ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে ইতিমধ্যেই এক জনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে ভরতি আরও ৮৬ জন।জানা গিয়েছে, সালমোনেল্লা নামে এই ব্যাকটেরিয়া ছড়াচ্ছে হাঁস ও মুরগি থেকে। আমেরিকার সেন্টার ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের পক্ষ থেকে এই খবর জানানো হয়েছে। করোনা ভাইরাসের মতো এই ব্যাকটেরিয়া একাধিক রাজ্যে প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। ২০ মে সর্বশেষ রিপোর্ট অনুসারে ৪২টি রাজ্যে এই ব্যকটেরিয়া থাবা বসিয়েছে। মোট ৪৬৫টি সংক্রমণের খবর এখনও পর্যন্ত পাওয়া গিয়েছে। যার মধ্যে ৩৬৮ জনে অপেক্ষাকৃত বেশি অসুস্থ। এই বছর, এখন পর্যন্ত আমেরিকায় সর্বাধিক সংক্রমিত রাজ্যগুলি হল কেন্টাকি, টেনেসি এবং জর্জিয়া। প্রতিটি রাজ্যে ২৫ জনেরও বেশি এই ব্যাকটেরিয়ার প্রভাবে অসুস্থ হয়েছেন বলে খবর। Developed Reporter Samrat Ghosh

করোনা আবহে এবছর বাতিল ২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবস, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর । অন্য দলগুলিকেও জমায়েতে করতে নিষেধ মুখ্যমন্ত্রীর।

করোনার গেঁরোয় এবার বাতিল ২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের সমাবেশও। এবার ওইদিন আর ধর্মতলায় আর জমায়েত হবে না। শুক্রবার তা স্পষ্ট করে দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়্যারপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক চলাকালীন তৃণমূল সুপ্রিমো জানান, “এ বারে আর সমাবেশ করা সম্ভব হবে না”। করোনা আবহে অন্যান্য দলকেও রাজনৈতিক জমায়েত বন্ধ রাখতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনিপ্রতিবছরই ২১ জুলাই তারিখে ধর্মতলা অথবা ভিক্টোরিয়া হাউসের কাছে সমাবেশ করেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। হাজির থাকেন খোদ তৃণমূল চেয়্যারপার্সনও। এবার করোনা সংক্রমণ আর সামাজিক দূরত্বের গেঁরোয় তা কার্যত অসম্ভব। তাহলে কি বিকল্প পথে হবে এই সমাবেশ? বিজেপির মতোই ভারচুয়াল ব়্যালি করা হবে কি? সেসম্পর্কে এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও মন্তব্য করেননি। এদিকে ২১ জুলাইয়ের আগে হাতে এক মাসও সময় নেই। অন্যান্য বছর এই সময় বিভিন্ন এলাকায় ছোট-ছোট সভা, মিছিল শুরু হয়ে যায়। কিন্তু এবার করোনা আবহে সবই বন্ধ। কীভাবে এই সমাবেশ হবে, তা নিয়েও ধোঁয়াশা অব্যাহতই রইল।

২১ জুলাইয়ের বিশেষত্ব কী?
১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই যুব কংগ্রেসের তৎকালীন সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে মহাকরণ অভিযান হয়েছিল। সেই কর্মসূচিতে পুলিশের বিরুদ্ধে গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। ১৩ জনের মৃত্যু হয়। সেই কর্মসূচির মূল উদ্যোক্তা ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই তৃণমূল যুব কংগ্রেসই ২১ জুলাই শহিদ দিবসে সমাবেশের আয়োজন করে।কিন্তু কোভিড পরিস্থিতিতে ছোট-বড় কোনও জমায়েতেরই অনুমতি নেই। ফলে এবছর এই সমাবেশ বাতিল করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।Developed Reporter Samrat Ghosh

হংকং নিয়ে চিনকে কড়া বার্তা রাষ্ট্রসংঘের, চাপে জিনপিং প্রশাসন

আগ্রাসী মনোভাবের জন্য আন্তর্জাতিক মঞ্চে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে চিন। এবার বেজিংয়ের উপর আরও চাপ বাড়িয়ে ‘মৌলিক অধিকার’ ও ‘ব্যক্তি স্বাধীনতা’ লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে তোপ দাগল রাষ্ট্রসংঘ।শুক্রবার, ‘United Nations High Commissioner for Human Rights’-এর দপ্তর কড়া ভাষায় বেজিংয়ের সমালোচনা করে। বিশেষ করে হংকংয়ে শি জিনপিং প্রশাসনের দমন নীতি নিয়ে সরব হয় আন্তর্জাতিক সংস্থাটি। সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কমিশনের সদস্যরা মনে করেন, হংকংয়ে গণতন্ত্রকামীদের বিরুদ্ধে রাসায়নিক হাতিয়ার ও অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করেছে বেজিং। এমনটা কাম্য নয়।বলে রাখা ভাল, মে মাসেই হংকংয়ের (Hong Kong) জন্য নতুন জাতীয় নিরাপত্তা আইন আনার কথা ঘোষণা করেছিল চিন। গত সপ্তাহে সেই আইনের রূপরেখা প্রকাশ করে বেজিং। এই আইন মোতাবেক, নতুন দপ্তর খোলা হবে হংকংয়ে। আইন লঙ্ঘনকারীদের বিচারের জন্য হংকংয়ের প্রশাসক ক্যারি ল্যাম নতুন বিচারকও নিয়োগ করবেন খুব শীঘ্রই। ৬ সেপ্টেম্বর হংকংয়ে আইনসভার ভোট। তার আগেই নতুন আইন চালু হবে বলে মনে করা হচ্ছে।আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, নয়া নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন করে হংকংয়ের উপর রাশ আর মজবুত করতে চলেছে চিন (China)। এই বিষয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আমেরিকা, ব্রিটেন-সহ একাধিক দেশ। যদিও চিনের দাবি, বিচ্ছিন্নতাবাদ, দেশদ্রোহ, সন্ত্রসাবাদ ও বিদেশি হস্তক্ষেপের হাত থেকে হংকংকে বাঁচাতেই এই নতুন আইন আনা হচ্ছে। এহেন পরিস্থিতিতে হংকং নিয়ে রাষ্ট্রসংঘের বয়ানে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

চিনা ফাঁদে পা দিয়ে বিপাকে নেপালের প্রধানমন্ত্রী ওলি, দলের অন্দরেই উঠল ইস্তফার দাবি

দেশের নয়া মানচিত্এদিকে, প্রধানমন্ত্রী ওলি ইস্তফা না দিলে দল ভাগ করার পর্যন্ত হুমকি দিয়েছেন পুষ্পকমল দাহাল। তাঁর মতে, ওলিকে সমর্থন দেওয়া উচিত হয়নি। এই সমর্থন তাঁর রাজনৈতি জীবনে সবথেকে বড় ভুল। দুই মেয়াদে নেপালের (Nepal) প্রধানমন্ত্রী পদে থাকা পুষ্পকমল দাহালকে দলের দুই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীও সমর্থন করছেন। সংঘাত এতটাই চরমে যে ওলি নেপালের কমিউনিস্ট পার্টির সম্পাদক মন্ডলি আর স্থায়ী কমিটিতে সংখ্যালঘু হয়ে পড়েছেন। আর তিনি এবার পদ বাঁচাতে বড়সড় রদবদলের প্রস্তুতিও নিচ্ছেন বলে সূত্রের খবর।র নিয়ে ভারতের সঙ্গে সংঘাতের মধ্যেই নেপালের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির অন্দরে চরম বিবাদের সৃষ্টি হয়েছে। দলের অন্দরেই সরকার বিরোধিতার সুর শোনা যাচ্ছে। এমনকি দলের নেতাদের অনেকেই নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির পদত্যাগের দাবি করছেন। এর মধ্যে পুষ্পকমল দাহালের নাম সবার আগে। তিনি বলছেন, প্রধানমন্ত্রী ওলি প্রতিটি ইস্যুতেই ব্যর্থ, এরজন্য তাঁর ইস্তফা দেওয়া উচিৎ। উল্লেখ্য, পুষ্পকমল দাহাল ওরফে প্রচণ্ড নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি। যদিও ওলি নিজে দলের মধ্যে বিবাদ ও তাঁর প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন।অন্যদিকে, নেপালের প্রধান বিরোধী দল নেপালি কংগ্রেসের সাংসদরা প্রতিনিধি সভায় একটি প্রস্তাব পেশ করে সরকারের কাছ থেকে চিনের হাতে কবজা হওয়া নেপালের ভূখণ্ড ফেরত নেওয়া আর বেদখল হয়ে যাওয়া এলাকাগুলির বর্তমান পরিস্থিতি কী, সেটা সংসদে প্রকাশ করার দাবি জানিয়েছেন। দলের সাংসদ দেবেন্দ্র রাজ, সত্যনারায়ণ শর্মা আর সঞ্জয় কুমার গৌতম বুধবার প্রতিনিধি সভার সচিবালয়ে যৌথভাবে এই প্রস্তাব পেশ করেন।উল্লেখ্য, চিনের (China) সঙ্গে ভারতের যেমন সীমান্ত নিয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, তেমনই নেপালের সঙ্গেও সীমান্ত নিয়ে বিবাদ শুরু হয়েছে। কিছুদিন ধরে নেপাল ভারত বিরোধী অবস্থান নিয়েছে। মানচিত্রে বদল এনে তাঁরা ভারতের তিনটি এলাকা নিজেদের বলে দাবি করছে। চলতি মাসেই এই নয়া মানচিত্র সংক্রান্ত বিল সংসদে পাশ করিয়েছে ওলি সরকার। তাতে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত। কিন্তু অন্যদিকে চিন একের পর এক নেপালের গ্রাম অধিগ্রহণ করছে, সেই নিয়ে চুপ রয়েছে নেপাল সরকার।Developed Reporter Samrat Ghosh