করোনা পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে লকডাউনে বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে টাটা গ্রুপ। এবার লোকসানের জেরে কঠিন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে শিল্পগোষ্ঠী। বিপুল সংখ্যক কর্মী ছাঁটাই করছে টাটা গোষ্ঠী (Tata Group)। ইতিমধ্যেই ছাঁটাই হয়েছেন প্রায় ১০০০ খানেক কর্মী। আরও কর্মী ছাঁটাই হওয়ার সম্ভাবনা আগামী কয়েকদিনে।সূত্রের খবর, লকডাউনের জেরে ভাটা পড়েছে টাটা গোষ্ঠীর আয়ে। বিপুল ক্ষতির মুখে একাধিক শিল্প। তাই এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে কয়েকদিনের মধ্যেই প্রচুর কর্মী ছাঁটাই করতে চলেছে টাটা গ্রুপ। লকডাউনের জেরে টাটা গ্রুপের বিমান সংস্থা (Vistara), গাড়ি শিল্প (Tata Motors), এরোস্পেস জাতীয় একাধিক ব্যবসায় মন্দা দেখা দিয়েছে। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা গাড়ি শিল্পের। প্রতিযোগী সংস্থা মারুতি সুজুকির (Maruti Suzuki) গত এপ্রিলের বিক্রির রিপোর্ট শূন্য। সেই জায়গা থেকে আরও উদ্বেগ বেড়েছে গাড়ি শিল্প নিয়ে।জানা গিয়েছে, ছাঁটাইয়ের তালিকায় সবার প্রথমেই রয়েছেন গাড়ি উৎপাদন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা। টাটা মোটর্সের জাগুয়ার ল্যান্ডরোভারের (Jaguar Land Rover) উৎপাদন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের উপরেই ছাঁটাইয়ের খাঁড়া বেশি করে ঝুলছে। তবে লকডাউনের শুরুর দিকে টাটা গোষ্ঠী ঘোষণা করেছিল, কোনও কর্মীকে ছাঁটাই করা হবে না। এমনকি ক্ষতির মুখে কোনও সম্পত্তিও বিক্রি করা হবে না। কিন্তু সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট উলটো কথা বলছে। উল্লেখ্য, ভারতে ২০১৯-২০ আর্থিক বর্ষের চতুর্থ ত্রৈমাসিকে ৯,৮৯৪ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে টাটা মোটর্সের। গতবছর এই ত্রৈমাসিকেই ১,১০০ কোটি টাকা লাভ করেছিল সংস্থা।Developed Reporter Samrat Ghosh
Author Archives: News Bally
গালওয়ানের জবাব পাবে চিন, লাদাখে অত্যাধুনিক মিসাইল তাক করল ভারত
উঁচু পার্বত্য অঞ্চলে কাজ করার জন্য আকাশ মিসাইল সিস্টেমে আপগ্রেড করা হয়েছে। লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর চিনের যুদ্ধ তৎপরতা বাড়ছে। কখনও ঘনঘন সাঁজোয়া গাড়ি যাতায়াত করছে, তো কখনও আবার ভারতের আকাশসীমার গা ঘেঁষে উড়ছে চিনা চপার। সেকথা মাথায় রেখেই এবার কোমর বাঁধল ভারতও। এবার পূর্ব লাদাখ সেক্টরে সারফেস টু এয়ার মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম (Air missile defence systems) মোতায়েন করল ভারতীয় সেনা। এই ক্ষেপণাস্ত্র বা মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম অত্যাধুনিক প্রযুক্তির। এবং খুব দ্রুত শত্রুপক্ষে আঘাত হানতে পারে।.মে মাসের মাঝামাঝি থেকেই চিনের সঙ্গে ক্রমাগত টানাপোড়েন বাড়ছে। এরপর গালওয়ানে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। এমন অবস্থায় চিন লাদাখ সীমান্তে সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমান ও বোমারু বিমান নিয়ে এসেছিল। যেগুলিকে সীমান্ত থেকে ১০ কিলোমিটার দূরত্ব বজায় রেখে ভারতীয় ভূখণ্ডের কাছে উড়তে দেখা গিয়েছে। তবে পিছিয়ে নেই ভারতীয় সেনাও। সূত্রের খবর, রাশিয়া থেকে একটি অত্যাধুনিক এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম পাবে। যা লাদাখে মোতায়েন করা হতে পারে। কিন্তু লালফৌজের চোখে চোখ রেখে জবাব দিতে পূর্ব লাদাখে সারফেস টু এয়ার মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম মোতায়েন করল ভারত।এমনকী, উঁচু পার্বত্য অঞ্চলে কাজ করার জন্য ইতিমধ্যেই আকাশ মিসাইল সিস্টেমে আপগ্রেড করা হয়েছে। পূর্ব লাদাখ এলাকায় ভারতীয় বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমানগুলিও বেশ সক্রিয়। ইতিমধ্যেই নজরদারিত যে জায়গায় ফাঁক রয়েছে সেগুলি চিহ্নিত করা হয়েছে।সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, ভারত আকাশ এয়ার ডিফেন্স মিসাইল সিস্টেম (Akash missile) লাদাখে নিয়ে গিয়েছে। যা খুব দ্রুতগতির যুদ্ধ বিমান এবং ড্রোনকে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে ধ্বংস করে দিতে পারে।সরকারি এক সূত্র সংবাদসংস্থা ANI-কে বলছে, “এই সেক্টরে পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে চিনের বিমান বাহিনীর যে কোনও হামলা রোধে ভারতীয় সেনা এবং ভারতীয় বায়ুবাহিনী উভয়ই বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলি এই সেক্টরে মোতায়েন করেছে।”Developed Reporter Samrat Ghosh
অফিসে যাওয়ার ঝক্কি কমছে, চন্দননগর থেকে কলকাতা পৌঁছন এবার হাইস্পিড ভেসেলে
জুলাইয়ের প্রথম দিন থেকেই পরিষেবা চালু করবে বেসরকারি সংস্থা। আনলক ওয়ান (Unlock 1) পর্বে চালু হয়ে গিয়েছে বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি অফিস ও অন্যান্য কর্মক্ষেত্র। বিভিন্ন জেলা থেকে কাজের সূত্রে কলকাতায় আসতে হয় অনেককে। লোকাল ট্রেন, মেট্রো বন্ধ। পর্যাপ্ত বাস রাস্তায় নেই। সবমিলিয়ে, রোজ অফিস যাতায়াত মাথাব্যথা বাড়িয়ে তুলেছে। তবে মুশকিল আসানের উপায়ও আছে। জলপথে পরিবহণ আরও মসৃণ করতে এগিয়ে এসেছে এক বেসরকারি সংস্থা। ১ জুলাই থেকে চন্দননগর থেকে মিলেনিয়াম পার্ক পর্যন্ত চালু হচ্ছে দ্রুতগতির ভেসেল। খুব কম সময়ের মধ্যে গঙ্গার এপার-ওপার যাতায়াত করা যাবে। খরচ একটু বেশি, মাথা পিছু ৩০০ টাকার আশেপাশে।সূত্রের খবর, সকাল ৮টায় চন্দননগর থেকে যাত্রা শুরু করবে দ্রুতগতির ভেসেল। শেওড়াফুলি, দক্ষিণেশ্বর ছুঁয়ে কলকাতার মিলেনিয়াম জেটিতে পৌঁছবে সকাল পৌনে দশটা নাগাদ। অর্থাৎ সময় লাগবে মাত্র ১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট। যে দূরত্ব সাধারণ ভেসেলে গেলে প্রায় চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা লাগার কথা। এতে দু’ঘণ্টারও বেশি সময় বাঁচবে। আবার বিকেল ৪টে’র সময় মিলেনিয়াম পার্ক থেকে এই ওয়াটার বাস ছাড়বে। সেটি চন্দননগরে গিয়ে পৌঁছবে ৫টা ৪৫ মিনিটে।জুলাইয়ের প্রথম দিন থেকে ফেরি সার্ভিস চালু করার আগে চন্দননগর জেটির সমস্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ক্ষতিয়ে দেখছেন পরিবহণ দপ্তর ও পুলিশ আধিকারিকরা। লোকাল ট্রেন বন্ধ থাকায় জেলার মানুষ শহরে যেতে যেভাবে নাস্তানাবুদ হচ্ছেন, তাতে এই পরিষেবা জনপ্রিয় হতে পারে। সোম থেকে শুক্রবার ব্যস্ত অফিস টাইমে এই পরিসেবা পাওয়া যাবে। এই জলযান চালু হলে ব্যান্ডেল, চুঁচুড়া, হুগলি-সহ পার্শ্ববর্তী জেলার বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষের সঙ্গে কলকাতার যোগাযোগ সহজ হবে বলে মনে করছেন এই ওয়াটারবাস সংস্থার কর্ণধার।শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কেবিনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে আপাতত ৬৬ শতাংশ যাত্রী নিয়েই যাত্রা শুরু করবে দ্রুতগতির জলযান। অদূর ভবিষ্যতে রাজ্য পরিবহণ নিগমের সহায়তায় বারাকপুর থেকে মিলেনিয়াম ঘাট পর্যন্ত দ্রুতগতির জল পরিবহণ ব্যবস্থা চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। বর্তমানে কলকাতা থেকে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত ভেসেল পরিষেবা দিয়ে থাকে এই সংস্থাই। যা ইতিমধ্যেই বেশ জনপ্রিয়।Developed Reporter Samrat Ghosh
কোভিড-মুক্তির প্রার্থনা, বিপত্তারিণীর সঙ্গে এবার পূজিত ‘করোনা দেবী’ও!
সাম্প্রতিক বিশ্বত্রাসের নাম – নোভেল করোনা ভাইরাস (Coronavirus)। তার বিরুদ্ধে লড়তে একদিকে বিশ্বের বিভিন্ন গবেষণাগারে তৈরি হচ্ছে অস্ত্র – ওষুধ, প্রতিষেধক, সংক্রমণ রুখতে আরোপ করা হচ্ছে একগুচ্ছ বিধিনিষেধ। সবই চলছে বিজ্ঞানসম্মতভাবে। তবে করোনামুক্তির জন্য ধর্মীয় রীতিনীতিও কম পালিত হচ্ছে না। এ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে করোনা ভাইরাস রুখতে যজ্ঞ-পুজোও চলছে। অনেকেরই বিশ্বাস, ‘করোনা দেবী’কে সন্তুষ্ট রাখলে, দ্রুতই সংক্রমণ থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। সেই বিশ্বাসে শনিবার, বিপত্তারিণী পুজোর দিনে করোনা পুজোর আয়োজন করলেন বনগাঁর বাসিন্দাদের একাংশ। মহা ধুমধামে চলল পুজো।বনগাঁর পশ্চিমপাড়া পুকুরপাড়ে শনিবার বিপত্তারিণী পুজো। একইসঙ্গে চলল করোনা পুজোও। এমনকী দুটি পুজো যে একসঙ্গে হবে, তা জানিয়ে বড়সড় পোস্টারও দেওয়া হয়েছিল। তা দেখেই পুজোয় শামিল হন এলাকার অনেকেই। করোনা ভাইরাসের আদলে তৈরি হয় নীলচে-হলুদ ‘করোনা দেবী’র মূর্তি। সেই মূর্তিতে মালা পড়িয়ে, সামনে উপাচার সাজিয়ে, মন্ত্র পড়ে পুজো করলেন পুরোহিত। পুজো দিলেন আশেপাশের অনেক বাসিন্দা। কেউ কেউ পুজো শুরু থেকে শেষ, গোটা সময়টাই উপস্থিত ছিলেন। জোড়হাতে সকলে প্রার্থনা করলেন, করোনামুক্ত হোক পৃথিবী।যদিও এদিনের করোনা পুজো নিয়ে ঘোরতর আপত্তি তুলেছে বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী মঞ্চ। সংগঠনের সম্পাদকের বক্তব্য, এভাবে করোনা পুজো পুরোটাই অবৈজ্ঞানিক। শুধুমাত্র বিশ্বাস আর আবেগ থেকে এটা হচ্ছে। করোনা সংক্রমণ থেকে মুক্তি পেতে সচেতন হতে হবে সকলকে। আর সেই সচেতনতা প্রচারে বিজ্ঞানমঞ্চও কাজ করে বলে দাবি তাঁর।বনগাঁর পশ্চিমপাড়াতেই প্রথম নয়। এর আগে আসানসোল, শিলিগুড়ি, রায়গঞ্জ-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তেই এধরনের পুজো হয়েছে। তবে কোথাও এধরনের কল্পিত মূর্তি ছিল না। ঘটে উপাচার সাজিয়ে পুজো করা হয়েছিল। যাতে ‘করোনা’ শক্তিকে তুষ্ট করে তার রোষ থেকে পৃথিবীকে নিরাপদ রাখা যায়, সেই আশায়। সেদিক থেকে বনগাঁর পশ্চিমপাড়ার পুজোর ধরন অন্যরকম। কে বলতে পারে, ভবিষ্যতে এমনই রূপে হয়ত পূজিত হবেন ‘করোনা দেবী’। Developed Reporter Samrat Ghosh
মারধোর-সিগারেটের ছ্যাকা দিয়ে অত্যাচার করে স্ত্রী, থানায় অভিযোগ স্বামীর!

Web Desk: বৃদ্ধ শ্বশুর-শাশুড়িকে ঘরে রাখতে নারাজ স্ত্রী। সেই কারণেই স্বামীকে প্রতিনিয়ত মারধোর করেন স্ত্রী। অত্যাচারের মাত্রা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে শরীরে একাধিক জায়গায় সিগারেটের ছ্যাকা ও মারধোরের কালসিটে দাগ রয়েছে ওই যুবকের। অত্যাচারের মাত্রা সহ্য করতে না পেরে অবশেষে পুলিশের দ্বারস্থ হলেন ওই যুবক। তিনি পেশায় সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার। বাড়ি সল্টলেকের সেক্টর ওয়ানের বিই ব্লকে। ওই যুবকের কাহিনী শুনে তাজ্জব পুলিশ আধিকারিকরাই। কারণ দীর্ঘ ক্যারিয়ারে এমন ঘটনা শোনেননি কোনও পুলিশকর্মীই। যদিও ওই যুবকের অভিযোগ, পুলিশ কোনও ব্যবস্থাই নেয়নি অভিযোগ জানানোর পর। চলতি মাসের ১০ তারিখ তিনি বিধাননগর উত্তর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন স্ত্রীর বিরুদ্ধে। নিছক অভিযোগ নয়, রীতিমতো লুকোনো ক্যামেরায় তাঁর ওপর স্ত্রীয়ের অত্যাচারের প্রমান হিসেবে বিভিন্ন ভিডিও জমা দিয়েছেন থানায়। তবুও কোনও ব্যবস্থাই নেয়নি পুলিশ। ফলে শুক্রবার ফের তিনি আসেন বিধাননগর উত্তর থানায়। কথা বলেন বিধাননগর পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকের সঙ্গে।

৩৪ বছরের সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ারের দাবি, বিগত চার বছর ধরেই তাঁর স্ত্রী তাঁর ওপর মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার করে আসছেন। তবে ইদানিং অত্যাচারের মাত্রা ব্যাপক বেড়েছে। ওই যুবকের দাবি, লকডাউন শুরু আগেই তাঁর বাবা-মা এক আত্মীয়ের বাড়ি গিয়েছিলেন। ফলে সেখানে গিয়ে আটকা পড়েন তাঁরা। লকডাউন শিথিল হতেই সম্প্রতি তাঁরা সল্টলেকের বাড়িতে ফিরে আসেন। কিন্তু তাঁর স্ত্রী বৃদ্ধ শ্বশুর-শাশুড়িকে ঘরে রাখতে নারাজ। শ্বশুর-শাশুড়িকে দেখেই তেলে-বেগুনে জ্বলে স্বামীকেই মারধোর করেন। শরীরে সিগারেটের একাধিক ছ্যাকা দিয়েছেন তাঁর সহধর্মিনী। পাশাপাশি চড়, থাপ্পড়, লাথি ইত্যাদি তো রয়েছেই। বাবা-মাকে খাবার দিতেও বাঁধা দিচ্ছেন স্ত্রী। এই সমস্ত অভিযোগেই পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন ওই ইঞ্জিনিয়ার যুবক। বছর পাঁচেক আগে সম্বন্ধ করেই বিয়ে হয়েছিল তাঁর। শ্বশুরবাড়ি বাগুইহাটিতে। এখন দেখার পুলিশ কী ব্যবস্থা নেয় এই বিষয়ে।
Reporter Aniruddha Benerjee
করোনায় আক্রান্ত কিম জং উন! জল্পনা উসকে দিল জাপান
উত্তর কোরিয়ার একনায়ক কিম জং উনকে নিয়ে জল্পনার অন্ত নেই। কয়েক মাস আগেই তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়েছিল গোটা দুনিয়ায়। তবে মে মাসে সশরীরের জনসমক্ষে হাজির হয়ে সেই জল্পনায় জল ঢেলে দেন তিনি। কিন্তু এবার কিমের শারীরিক অবস্থা নিয়ে গোপন তথ্য ফাঁস করেছে জাপান।জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী টারা কোনো জানিয়েছেন, কিমের স্বাস্থ্য নিয়ে তাদের কাছে কিছু সন্দেহজনক তথ্য এসেছে। জাপানি মন্ত্রীর মতে, বর্তমানে শরীর মোটেই ভাল যাচ্ছে না প্রেসিডেন্ট কিমের। একাধিক শারীরিক সমস্যায় তাঁর প্রাণ সংশয় দেখা দিয়েছে। তবে ঠিক কী ঘটেছে, তা নিয়ে স্পষ্ট জানাতে চাননি কোনো। ‘দ্য সান’-এর মতে, করোনা ভাইরাসেও আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন স্বৈরাচারী ওই শাসক। যদিও সাম্প্রতিক কোথাও মাস্ক পরে দেখা যায়নি কিম জং উনকে। সাংবাদিকরা তাঁকে এই বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য জানাতে অনুরোধ করলে জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “আমি প্রকাশ্যে এই বিষয়ে কিছু বলতে পারব না। তবে আমাদের হাতে কিমের স্বাস্থ্য নিয়ে বেশ কিছু তথ্য এসেছে।” মুখ না খুললেও কিম জং উন সম্পর্কে আমেরিকা, জাপান ও অন্য দেশগুলি যে তথ্য আদান প্রদান করে থাকে, তা স্বীকার করেছেন তিনি।উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই সীমান্তে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে একটি লিয়াজোঁ অফিস গুঁড়িয়ে দিয়েছে কিম জং উনের ফৌজ। সিওলের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এই পার্কটি বানিয়েছিল পিয়ংইয়ং। দু’দেশের মধ্যে নানা বিষয়ে আলোচনার জন্য সীমান্তে এই লিয়াজোঁ অফিসটি তৈরি করা হয়েছিল। এটিকে গুঁড়িয়ে দিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে কার্যত যুদ্ধ ঘোষণা করে উত্তর কোরিয়া। তবে বিশ্লেষকদের মতে, কিমের শারীরিক অবস্থা থেকে নজর সরাতেই এসব বিতর্ক তৈরি করছে পিয়ংইয়ং।Developed Reporter Samrat Ghosh
৩ মাস বেতনহীন কর্মচারীরা, লকডাউনে ধুঁকছে কফিহাউস

Web Desk: বেশ কয়েক বছর ধরেই ধুঁকছে কফিহাউস। চলছিল অক্সিজেন সিলিন্ডারেই। কোভিড লকডাউন এসে পরিস্থিতিটাকে আরও খারাপ করে দিল। আনলক পর্বে শর্তসাপেক্ষে শহরের রেস্তোরাঁ-কাফে খোলার অনুমতি পেলেও, এখনও অবধি খোলেনি কলেজ স্ট্রিটের কফি হাউস। অন্দরমহলে উঁকি দিয়ে শোনা গেল না তেমন আশার কথাও।

বাঙালি চিরশ্রেষ্ঠ মেধার আড্ডাপীঠ। প্রতিবাদী কণ্ঠস্বরের আঁতুড়ঘর। টেবিলের উপরে দাঁড়িয়ে কলরোল তুলছেন শক্তি চট্টোপাধ্যায়। ছড়ানো ছেটানো চেয়ারে এদিক সেদিকে ছড়িয়ে বসে সুনীল,ঋত্বিক, সমরেশ, সঞ্জীব, সুভাষ। বিংশ শতাব্দীর হাংরি জেনারেশনের সাহিত্য ও সংস্কৃতি আন্দোলনের ছক কষা এখান থেকেই।

নিয়মিত ইনফিউশনের কাপে তুফান তুলেছেন সত্যজিত্, অমর্ত্য, মৃণাল, অপর্ণারা। সেই কফিহাউস ধুঁকছে। লকডাউনে সেই যে সম্পূর্ণ বন্ধ হয়েছিল, আনলক পর্বেও তা খোলা যাচ্ছে না। ৬৫ জন কর্মাচারী মাইনে পাচ্ছেন না তিনমাস হল। আসলে কফি হাউস চলে সমবায় ব্যবস্থায়। যত্র আয়,তত্র ব্যয়। আয়ের টাকাতেই মাইনে, সাফ সাফাই, মেইনটেন্যান্স। বাড়ি ভাড়ার টাকাও দিতে হয় সরকারকে। লকডাউন পর্বে সব বন্ধ।

আনলকে তো খুলেছে বেশ কিছু রেস্তোরাঁ, কাফে, তাহলে কফি হাউস খুলতে বাধা কোথায়? কর্মীরা বলছেন অনুমতি পাচ্ছেন না। কারণ কফি হাউস মানেই যে একসঙ্গে বসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আড্ডা। করোনার স্বাস্থ্যবিধিতে তা সম্ভব নয়। ফলে ৩ মাস ধরে বেতনহীন কর্মীরা।
“দাদা, মেনুকার্ড রাখুন, চারটে ইনফিউশন দিন তো! আর খিদেও পেয়েছে, দুটো চিকেন ওমলেট, ভাগ করে নেব।” এই অর্ডারের জন্য বোধহয় কান পেতে রয়েছে কফি হাউস নিজেও।
Reporter Aniruddha Benerjee
ক্রিকেটেও কি আছে NEPOTISM? তেন্ডুলকার, গাওয়াস্কারের উদাহরণ টানলেন আকাশ চোপড়া

Web Desk: নেপোটিজম। অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের আত্মহত্যার ঘটনার পর এই শব্দটা এখন আর কারও অজানা নয়। নেপোটিজম। অর্থাত, স্বজনপোষণের অভিযোগে বিদ্ধ বলিউড। তারকার পরিবারের কেউ হলেই অ্যাডভান্টেজ। স্টার-এর ছেলে স্টার হবে। এটাই অভিনয় জগতের রীতি। সেখানে বাইরের কেউ এলে, তিনি যতই প্রতিভাবান হন না কেন, একটা সুযোগ পেতে তাঁকে কাঠ-খড় পোড়াতে হবে। ইনডাস্ট্রির বাইরে কারও জন্য কেরিয়ার গড়ার রাস্তায় থাকবে কাঁটা বিছানো। বলিউড সম্পর্কে অনেকেরই মত এখন এমনই। অনেকেরই অভিযোগ, বলিউড আসলে নেপোটিজম-এর আখড়া। শুধু বলিউড কেন, যে কোনো গ্ল্যামার ইনডাস্ট্রি সম্পর্কেই সাধারণ মানুষের ধারণা এমনই হয়েছে। কিন্তু এদেশে ক্রিকেটও তো কোনও গ্ল্যামার ইনডাস্ট্রির থেকে কম নয়। তা হলে সেখানেও কি নেপোটিজম আছে!
ভারতের হয়ে মাত্র দশটি টেস্ট ম্যাচ খেলা প্রাক্তন ক্রিকেটার আকাশ চোপড়া নিজের ইউ টিউভ চ্যানেলে নেপোটিজম নিয়ে কথা বলছিলেন। প্রসঙ্গক্রমে উঠে আসে ক্রিকেটে স্বজনপোষণের টপিক। আকাশ চোপড়া নিশ্চিত, ভারতীয় ক্রিকেটে নেপোটিজম নেই। তিনি এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি তেন্ডুলকর, গাওয়াস্কারদের উদাহরণও টানলেন। আকাশ চোপড়া বলেছেন, সুনীল গাওয়াস্কার নিজের ছেলেকে মুম্বই থেকে খেলতে দেননি। সচিন তেন্ডুলকর প্রভাব খাটালে অর্জুন এতদিনে অন্তত একটা আইপিএল দলের হয়ে তো খেলত! ক্রিকেটে নেপোটিজম থাকলে তেন্ডুলকর, গাওয়াস্কারদের ছেলেরা ভারতীয় দলে থাকত।
২০০৪ সালে ভারতীয় দলে অভিষেক হয়েছিল রোহন গাওয়াস্কারের। দেশের জার্সিতে তিনি খেলেছেন মাত্র ১১টি ওয়ানডে। অন্যদিকে, সচিন তেন্ডুলকরের ছেলে অর্জুন বাবার মতো ব্যাটসম্যান নন। ছফুট উচ্চতার অর্জুন পেসার। তিনি সচিন-পুত্র হয়েও নিজের প্রতিভ ও পরিশ্রমের উপর ভর করে মুম্বইয়ের রনজি দলে জায়গা পাকা করার জন্য লড়ছেন। সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর যে কোনও সেক্টর-এ থাকা লোকজনই নেপোটিজম-এর প্রসঙ্গ তুলেছেন। তবে অনেকেই বলছেন, নেপোটিজম থাকবেই। তার মধ্যেও যাঁদের এগিয়ে যাওয়ার তাঁরা ঠিক পারবেন।
Reporter Aniruddha Benerjee
আমফানের ক্ষতিপূরণ নিয়ে তৃণমূল বিজেপি সংঘর্ষ মহিলা-শিশুসহ জখম ১২ হাসপাতালে ভর্তি

Web Desk: বসিরহাট মহকুমার ন্যাজাট থানা সন্দেশখালি ১ নম্বর ব্লকের হাটগাছা গ্রাম পঞ্চায়েতের ১০ নম্বর ঘেরি এলাকার ঘটনা। সন্দেশখালি ১ নম্বর বিডিও অফিসে আম ফানের প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত যারা তাদের জন্য জানতে গিয়েছিলে বিডিও অফিসে বিজেপি কর্মী সমর্থক অজয় পাল, সুরাজ পাল, আলপনা মন্ডল,সেই সময় বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলা করে বলে অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বাঁশ, লাঠি লোহার রড নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়, পাল্টা অভিযোগ তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরাও জখম হয়েছে ।আমফানের ক্ষতিপূরণে নিয়ে বচসা শুরু হয় গতকাল শুক্রবার রাত আটটা নাগাদ। এই ঘটনা ঘটে পুনরায় আজ শনিবার সকাল আটটা নাগাদ ঘটনাটি পুনরায় ঘটে, সব মিলিয়ে শিশুরাও রেহাদ পায়নি এই আক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পায়নি এমনকি মহিলারাও প্রতিবাদ করতে আসলে তাদেরকে মারধর শীলতা হানি করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সবমিলিয়ে মহিলা-শিশুসহ যখম ১২ জন তাদের কে বসিরহাট জেলা হাসপাতালের ভর্তি করা হয়েছে তাদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে নেজ্যাট থানার পুলিশ। এর পিছনে শুধুই কি আমাফানের ক্ষতিগ্রস্ত নিয়ে বিবাদের জেরে সংঘর্ষ? না পুরনো বিবাদে দুই পরিবারের মধ্যে পুরনো অশান্তির জের?পুরো বিষয় টি নিয়ে তদন্তে নেমেছে ন্যাজাট থানার পুলিশ। উভয় পক্ষ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে, ঘটনাস্থলে ন্যাজাট থানার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
Reporter Aniruddha Benerjee
আমফান ক্ষতিপূরণে দুর্নীতির তদন্ত হবে জ্যোতিপ্রিয়

Web Desk: আমফান ক্ষতিপূরণে দুর্নীতির তদন্ত হবে। যাঁরা ক্ষতিপূরণের যোগ্য নন, তাঁরা টাকা পেয়ে থাকলে তা ফেরত দিতে হবে। দলের কেউ এই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকলে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শনিবার উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে একথা জানালেন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।
এদিন বারাসতে জেলা পরিষদের সভাকক্ষে পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে যৌথভাবে সাংবাদিক বৈঠক করেন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ নারায়ণ গোস্বামী। সেখানে আমফান দুর্নীতি নিয়ে সাংবাদিকরা বৈঠক করেন। জবাবে জ্যোতিপ্রিয় বলেন, ‘আমফানে ক্ষতিগ্রস্তরা সবাই ক্ষতিপূরণের টাকা পাবেন। একজনও বাদ যাবেন না। যোগ্য নয়, এমন ব্যক্তিরা সেই টাকা পেয়ে থাকলে তা ফেরত দিতে হবে। তার জন্য নির্দিষ্ট ফর্ম তৈরি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে সেই ফর্ম বিডিওদের কাছে পৌঁছেও দেওয়া হয়েছে। আর যাঁরা এই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দলের কেউ সেই তালিকায় থাকলে তাঁকেও ছাড়া হবে না। এমনটাই হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী তিনি বলেন বিগত কিছুদিন ধরে বিভিন্ন জায়গা থেকে দুর্নীতির অভিযোগ উড়ছে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন আমফানের ক্ষতিপূরণের টাকা নিয়ে দলের কেউ দুর্নীতি করলে তাকে রেয়াত করা হবে না।
Reporter Aniruddha Benerjee




