Unknown's avatar

About News Bally

News all time

১০ অগাস্ট থেকে কলেজগুলিতে স্নাতক স্তরের প্রথম বর্ষের ছাত্র ভর্তি শুরু??? নির্দেশিকা উচ্চশিক্ষা দফতরের

গতবারের থেকে এবারের পরিস্থিতি আলাদা তথা করোনা আবহের জন্য ছাত্রভর্তি কলেজগুলিতে কিভাবে হবে তা নিয়ে বিস্তর গাইডলাইনও দিয়েছে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দফতর

১) অনলাইনের মাধ্যমে অ্যাডমিশন অর্থাৎ ভর্তি প্রক্রিয়া হবে এবং সেটি হবে মেধার ভিত্তিতে। কোন ছাত্রছাত্রীকে ভর্তি প্রক্রিয়া বা কাউন্সেলিং ভেরিফিকেশন-এর জন্য কলেজে ডাকা যাবে না। ভর্তি প্রক্রিয়া চলাকালীন কোন উপস্থিতির দরকার পড়বে না ছাত্র-ছাত্রীদের।

২) যারা সুযোগ পাবে তাদেরকে কলেজের তরফে চিঠি অথবা ই-মেল মারফত জানিয়ে দেওয়া হবে।

৩) ছাত্র ভর্তির জন্য যে ফি দিতে হবে তা সরাসরি অনলাইন পেমেন্টের মাধ্যমে করতে হবে একটি নির্দিষ্ট ব্যাঙ্ক মারফত। টাকা দেওয়ার জন্য কোনওভাবেই কলেজে আসতে হবে না ছাত্রছাত্রী এবং তাদের অভিভাবকদের।

৪) একটি নির্দিষ্ট কলেজে যত সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী মেধার ভিত্তিতে ভর্তি হবার সুযোগ পাবেন সেই তালিকা ব্যাঙ্কে দিয়ে দিতে হবে। ব্যাঙ্ক সেই মেধা তালিকার ভিত্তিতে ছাত্র-ছাত্রীদের থেকে টাকা নেবে।

৫) ছাত্র-ছাত্রীদের সমস্ত তথ্য অনলাইন এর মাধ্যমে ভর্তি প্রক্রিয়া চলাকালীন আপলোড করতে হবে। যদি কোন তথ্য বা সার্টিফিকেট ভেরিফিকেশন এর দরকার পড়ে কলেজের তাহলে সেই ভেরিফিকেশন বা তথ্য যাচাই করতে হবে ছাত্র যখন ক্লাস শুরু হবার সময় কলেজে আসবে। যদি কোন ছাত্র বা ছাত্রী তথ্য ভুল দিয়ে থাকেন এবং তা যদি ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন এর সময় দেখা যায় তাহলে সেই ছাত্র বা ছাত্রীর ভর্তি প্রক্রিয়া বাতিল হয়ে যাবে।

৬) সমস্ত কলেজ গুলিকে করোনাভাইরাস এর প্রোটোকল মেনেই ভর্তি প্রক্রিয়া করতে হবে।

বাঙালির কপালে ভাঁজ, আলুর দাম লাগামছাড়া ! আরও বাড়বে আলুর দাম, দাবি বিক্রেতাদের

Newsbally Webdesk: মার্চ মাসের শেষে করোনা মোকাবিলায় লকডাউন ঘোষণার পর আচমকাই বেড়ে যায় আলুর দাম। কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছিলেন, বাজারে আলুর কৃত্রিম অভাব তৈরি হয়েছিল। তবে সেই সমস্যা ছিল সাময়িক। কিছুদিনের মধ্যেই ফের স্বাভাবিক হয়ে যায় আলুর দর।  খুচরো বাজারে  আলুর মূল্য নেমে আসে  ১৪ – ১৫ টাকা প্রতি কেজিতে।কিন্তু ফের বাড়তে শুরু করেছে আলুর দাম! চিন্তার ভাঁজ বাঙালির কপালে! সোমবার কলকাতার মানিকতলা বাজারে জ্যোতি আলুর দাম ছিল ৩০ টাকা প্রতি কেজি।  চন্দ্রমুখি আলু বিক্রি হচ্ছিল ৩২ টাকা কেজি দরে।  পোখরাজ আলুর দাম ছিল ৩০ টাকা প্রতি কেজি। ব্যবসায়ীদের দাবি, গত ১৫ দিনে আলুর দাম কেজি প্রতি ১০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। তাঁদের মতে, আগামিদিনে  নাকি আলুর দাম আরও বাড়বে!বাঙালির নিত্যপ্রয়োজনীয় সবজির মধ্যে পড়ে আলু। সেক্ষেত্রে আলুর দাম বাড়াতে পকেটে টান পড়েছে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত বাঙালির।  মানিকতলা বাজারের এক ক্রেতা সুশান্ত সাহা জানান, ” আলুর দাম শুনে চোখ কপালে উঠেছে! এক কেজির বদলে হাফ কেজি আলু কিনেই বাড়ি ফিরছি।” পোস্তা বাজারের পাইকারি আলু বিক্রেতাদের দাবি, প্রতিদিনই কোনও এক অজানা কারণে আলুর দাম বস্তা প্রতি বাড়ছে ৪০-৫০ টাকা  (এক বস্তায় ৫০ কেজি আলু থাকে)। সোমবার সকালে জ্যোতি আলুর দাম ছিল বস্তাপ্রতি ১১৭০ – ১২৫০ টাকা। পাইকারি ব্যবসায়ীদেরও একই মত, আলুর দাম নাকি আরও বাড়তে পারে।কিন্তু কেন এমন লাগামছাড়া ভাবে বাড়ছে আলুর দাম ? আলু বিক্রেতাদের মতে,  গত মরশুমে আলুর ফলন খুব একটা ভাল হয়নি। এদিকে লকডাউনে মানুষ অতিরিক্ত  আলু খেয়েছেন  এবং দান করেছেন। ফলে বাজারে আলুর কৃত্রিম অভাব তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি বাজারে অন্যান্য সবজির অগ্নিমূল্য, ফলে মানুষ বাধ্য হয়েই বেশি পরিমাণে আলু কিনছেন।  যে-সব রাজ্যে আলুর ফলন হয় না, সেইসব রাজ্যে বাংলা থেকে আলু রফতানি হয়। প্রচুর পরিমাণ আলু গিয়েছে  ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ ও অসমে।  একইসঙ্গে অভিযোগ উঠেছে, আলুর হিমঘরগুলি কম পরিমাণে আলু বাজারে বের করছে, ফলে স্বাভাবিকভাবেই অভাব তৈরি হয়েছে আলুর, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে দাম এবং মুনাফা লুটছে হিমঘরের মালিকরা। আলু ব্যবসায়ীদের মতে, খুব শীঘ্রই হয়তো খুচরো বাজারে আলুর দাম পৌঁছবে ৪০-৫০ টাকা প্রতি কেজিতে।

অন্য রাজ্যে আমাদের মতো সরকারি হাসপাতালের ইনফ্রাস্ট্র্যাক্টর অত ভালো নয় : মুখ্যমন্ত্রী

Newsbally Webdesk: অন্য রাজ্যে আমাদের মতো সরকারি হাসপাতালের ইনফ্রাস্ট্র্যাক্টর অত ভালো নয়, গর্ব করে বলতে পারি স্বাস্থ্য পরিষেবায় বাংলাই দেশের সেরা, সরকারি হাসপাতালে বেড পাওয়া যাচ্ছে না, এটা মাইনস নয়, প্লাস: মুখ্যমন্ত্রী Reporter: Shrinjoy Ghosh

রনবীর কাপুরের মুখে আঘাত, গভীর ক্ষত???

NewsBally Webdesk: সুত্রের খবর রনবীর কাপুরের পোষ্য প্রেমের কথা তার অনুরাগীদের কাছে অজানা নয়,তার বাসায় রয়েছে একাধিক কুকুর ও বিড়াল, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার সঙ্গে পশুদের ছবি প্রায়ই দেখা যায় তবে এদের মধ্যে একটি কুকুর আজ তার মুখের ওপর আঘাত করে এর ফলে ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে নায়কের মুখে ।ক্ষত বেশ গভীর বলে জানা গিয়েছে,তবে তিনি কোনোরকম ঝুঁকি না নিয়ে হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েছেন। Jr.Reporter: Debika Mukherjee

দেশে করোনা আক্রান্তদের ২ শতাংশেরও কম ভর্তি আইসিইউ-তে, সুস্থ হচ্ছেন বেশি রোগী, জানালেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নয়াদিল্লি: দেশে মোট করোনা আক্রান্তের দুই শতাংশেরও কম ব্যক্তি আইসিইউ-তে ভর্তি। এখনও চিকিৎসা চলছে এমন ব্যক্তিদের তুলনায় সেরে ওঠা করোনা আক্রান্তদের ব্যবধান বেড়ে হয়েছে ২,৮১,৬৬৮। আজ এমনই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন।আজ নয়াদিল্লির এইমসে রাজকুমারী অমৃত কউর ওপিডি-র নতুন ব্লকের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এরপর তিনি বলেন, ‘আমরা ধীরে ধীরে অতিমারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জয় পাওয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। করোনা আক্রান্তদের দুই শতাংশেরও কম ব্যক্তি আইসিইউ-তে ভর্তি। এ বছরের জানুয়ারিতে সারা দেশে ল্যাবের সংখ্যা ছিল মাত্র একটি। এখন তা বেড়ে হয়েছে ১,২৩৪। ১৫৬ জুলাই পর্যন্ত ১,২৭,৩৯,৪৯০টি নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা হয়েছে। গতকাল ৩,২৬,৮২৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। আগামী১২ সপ্তাহে রোজ ১০ লক্ষ নমুনা পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। করোনা মোকাবিলায় সবরকম ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার। এই উদ্যোগের ইতিবাচক ফল পাওয়া যাচ্ছে।’এদিন এইমসের ওপিডি ঘুরে দেখেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি রোগীদের সঙ্গেও কথা বলেন। সব রোগীর যত্ন নেওয়ার জন্য এইমস কর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি।Developed Reporter Samrat Ghosh

জেলে অসুস্থ হয়ে ভর্তি ছিলেন হাসপাতালে, এবার করোনা আক্রান্ত হলেন ভারভারা রাও

নয়াদিল্লি: জেলে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। ভর্তি করতে হয়েছিল হাসপাতালে। এবার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন কবি ভারভারা রাও। ৭৯ বছরের ভারভারাকে ১৩ জুলাই মহারাষ্ট্রের জে জে হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছিল। জেলে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। তাঁর করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসায় অসংখ্য অনুরাগী। কবির জামিনের দাবিতে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরেকে চিঠি লিখেছিলেন তাঁর তিন কন্যা। শারীরিক অস্বস্তি এবং জেলের মধ্যে একবার অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার কারণে এর আগেও জে জে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। এর আগে ভারভারার মুক্তির দাবিতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছিলেন ৪০ জন কবি। কিন্তু জামিন হয়নি।এরই মধ্যে অভিযোগ উঠেছে যে, বম্বে হাইকোর্টে তাঁর জামিনের শুনানির আগেই হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে অসুস্থ ভারভারাকে ‘ফিট’ ঘোষণা করার চেষ্টায় রয়েছে পুলিশ। কবির পরিবারের অভিযোগ, রাওয়ের শারীরিক পরিস্থতি সম্পর্কেও তাঁদের কোনও তথ্য দেওয়া হচ্ছে না। রাওকে দ্রুত ভাল হাসপাতালে স্থানান্তরিত করার ব্যাপারে মহারাষ্ট্র সরকার ও জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-কে আর্জি জানিয়েছেন ইতিহাসবিদ রোমিলা থাপার, অর্থনীতিবিদ প্রভাত পট্টনায়ক-সহ দেশের বহু বিশিষ্টজনরা। Developed Reporter Samrat Ghosh

হাইমাদ্রাসায় প্রথম রাজমিস্ত্রির মেয়ে নসিফা, মেয়ের সাফল্যে অভাব ভুলে মুখে হাসি মা-বাবার

জঙ্গিপুর: বাবা রাজমিস্ত্রি। আয় খুবই সামান্য। নুন আনতে পান্তা ফুরনোর সংসারে খাবার ঠিক মতো জোটে না। তার উপর পড়াশোনার খরচ সামাল দেওয়া মুশকিল। তবু জেদ কখনও ছাড়েনি মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরের ছোট কালিয়ার বাসিন্দা নসিফা। আর্থিক অনটন সত্ত্বেও শুধুমাত্র জেদ এবং অধ্যাবসায়কে পুঁজি করেই হাইমাদ্রাসা (High Madrasah) পরীক্ষায় রাজ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছে সে।ছোট থেকে পড়াশোনা বড্ড প্রিয় মেয়েটার। বই পেলে যেন আর কিছু চায় না সে। নাওয়া খাওয়া ভুলে মেয়ের পড়াশোনা মন ছুঁত বাবা-মা। এভাবে পড়তে পড়তে হাইমাদ্রাসার পরীক্ষা চলে আসে। শিক্ষকও ছিল না। তা সত্ত্বেও প্রথম হয়ে সকলকে তাক লাগিয়েছে সে। স্থানীয় জঙ্গিপুর মুনিরিয়া হাইমাদ্রাসা থেকে পরীক্ষা দিয়ে রাজ্যে প্রথম হয়েছে কিশোরী। তার প্রাপ্ত নম্বর ৭৭১। ছাত্রী বলে, “খুব কষ্ট করে পড়াশুনা করে আজ এই সাফল্য এসেছে। আমি খুব খুশি। আগামী দিনে বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করতে চাইছি।”রাজমিস্ত্রি তোয়াব শেখ ও বিড়ি শ্রমিক মা জোসেনূর বিবির মেয়ে নসিফা। এক ভাই ও দুই বোনও রয়েছে তার। ঘরের মেয়ের সাফল্যে বেজায় খুশি পরিজনেরা। মেয়ের রেজাল্ট দেখে খুশিতে চোখে জল বাবা-মায়েরও। উচ্চশিক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ কে দেবে মেয়েকে? মেয়ের সাফল্যে উজ্জ্বল মুখ দু’টোকে সেই চিন্তাই যেন তাড়া করে বেড়াচ্ছে।এদিকে, বৃহস্পতিবারই প্রকাশিত হয় হাইমাদ্রাসা, আলিম এবং ফাজিলের ফলাফল। গত বছরের তুলনায় তিনটি ক্ষেত্রেই বেড়েছে পাশের হার। হাইমাদ্রাসায় পাশ করেছে ৮৬.১৫ শতাংশ, আলিমে পাশ করেছে ৮৮.৫৬ শতাংশ, ফাজিলে পাশ করেছে ৮৯.৫৬ শতাংশ পড়ুয়া। তবে মাধ্যমিকের মতো হাইমাদ্রাসা, আলিম এবং ফাজিলেও জেলার জয়জয়কার। মেধাতালিকায় নেই কলকাতার কোনও পড়ুয়া। Developed Reporter Samrat Ghosh

নভেম্বরে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াবে কোটির গণ্ডি! বিজ্ঞানীদের সমীক্ষায় চাঞ্চল্য

উদ্বেগ বাড়াচ্ছে সংক্রমণের হার। প্রতিদিনই ভাঙছে দৈনিক সংক্রমণের রেকর্ড। এই হারে সংক্রমণ বাড়তে থাকলে ১ সেপ্টেম্বর ভারতে করোনা (Covid-19) আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াবে ৩৫ লক্ষ। আর মৃতের সংখ্যাও হবে দেড় লক্ষ ছুঁইছুঁই। এই মুহুর্তে দেশে সংক্রমণের হারের উপর ভিত্তি করে করা সমীক্ষায় এই দাবি করেছে বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স (IISC)। সেই সমীক্ষায় বলা হয়েছে, দেশে সক্রিয় করোনা রোগীর (Active Covid positive) সংখ্যা বেড়ে হবে ১০ লক্ষ।গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সংক্রমিত ৩২,৬৯৫ জন। একইসময়ে মৃত্যু হয়েছে ৬০৬ জনের। ফলে দেশে মোট সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯ লক্ষ ৬৮ হাজার ৮৭৬ জন। আর মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৪ হাজার ৯১৫ জন। তবে সমীক্ষা জানিয়েছে, পরিস্থিতি যদি এখনকার চেয়ে একটু ভাল হয়, তা হলে ১ সেপ্ট‌েম্বরের মধ্যে ভারতে করোনায় সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে হবে ২০ লক্ষ। সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়াবে ৪ লক্ষ ৭৫ হাজারে। আর মৃতের সংখ্যা বেড়ে হবে ৮৮ হাজার।পাশাপাশি, সেপ্টেম্বরে কোন রাজ্যে করোনা সংক্রমণ কোথায় পৌঁছতে পারে তারও একটা পূর্বাভাস দেওয়ার চেষ্টা করেছে আইআইএসসি-র সমীক্ষায়। সংক্রমণের এই হার বজায় থাকলে সেপ্টেম্বরে মহারাষ্ট্রে করোনায় সংক্রমিত হবেন ৬ লক্ষ ৩০ হাজার মানুষ। তার পরেই থাকবে দিল্লি, তামিলনাড়ু আর গুজরাতে ১ লক্ষ ৮০ হাজার।সমীক্ষায় বলা হয়েছে, একইভাবে সংক্রমণ চললে নভেম্বরের শুরুতেই দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কোটি পেরিয়ে যাবে। নভেম্বরের ১ তারিখে ভারতে সংক্রমিতের সংখ্যা দাঁড়াবে ১ কোটি ২০ লক্ষে। মৃত্যু হবে ৫ লক্ষ মানুষের। জানুয়ারির তারিখে সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে হবে ২ কোটি ৯০ লক্ষ। আর মৃতের সংখ্যা বেড়ে পৌঁছবে ১০ লক্ষে। তবে সংক্রমণের হার কমলে পরিস্থিতির বদল হতে পারে। Developed Reporter Samrat Ghosh

‘আমরা গোমূত্র খেয়ে ভাল থাকি, গাধারা এসব বুঝবে না!’, দিলীপের মন্তব্যে তুঙ্গে বিতর্ক

দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) ‘গরুর দুধে সোনা’ মন্তব্য নিয়ে কম ঠাট্টা-তামাশা হয়নি। সম্প্রতি মহম্মদ সেলিমও (Md Selim) এ প্রসঙ্গ উল্লেখ্য করে বিঁধেছিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতিকে। এবার সেই সব বিদ্রুপের পালটা দিলেন বিজেপি সাংসদ। বললেন, “আমি গরুর কথা বললে অনেকের শরীর খারাপ হয়ে যায়। গাধারা গরুর কথা বুঝবে না!” পাশাপাশি, এদিন ফের দৃঢ় কন্ঠে দিলীপবাবু বললেন যে, গোমূত্র খেয়েই তাঁরা সুস্থ থাকবেন।প্রতিদিনই প্রাতঃভ্রমণে বের হন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এরপর কোনও দিন চায়ে পে চর্চা তো কোনওদিন অন্যকোনও কর্মসূচিতে যোগ দেন তিনি। বৃহস্পতিবারও তার অন্যথা হয়নি। এদিন মর্নিংওয়াক সেরে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে দেখা করেন দিলীপবাবু। সকলকে পরামর্শ দেন গোলমরিচ, তুলসীপাতা, মধু দিয়ে ভাল করে নাড়া বানানোর। বলেন, “আয়ুর্বেদ ছাড়া করোনাকে রোখা যাবে না। আমি মা-বোনেদের বলছি, বাড়ির কেউ যদি ওই নাড়া না খেতে চায় তাকে দুপুরে ভাত দেবেন না।” কিঞ্চিত মজার সুরেই জানান যে, তিনি নিয়মিত প্রাতঃভ্রমণের সময় সাংবাদিকদেরও আদা, কাঁচা হলুদ দেন। কেউ খেতে না চাইলে ‘বাইট দেব না’, এই হুমকি দিয়ে তাঁদের তা খেতে বাধ্য করান।এরপরই গোমূত্র প্রসঙ্গে বলেন, “আমি গরুর কথা বললে অনেকের শরীর খারাপ হয়ে যায়। আমরা গরুর দুধ, গোমূত্র খাই তাই ভাল থাকি। আমরা গরুকে মা বলি। তার সেবা করি। গাধারা গরুর কথা বুঝবে না!” মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর দলবলকে কটাক্ষ করে বিজেপি সাংসদ বলেন, “তোমরা বোতলের মদ খাও, আমরা গোমূত্র খেয়ে ভাল থাকব।” দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যের পালটা দিয়েছে তৃণমূলও। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির করোনা পরিস্থিতি উল্লেখ করে বিঁধেছেন বিজেপি সাংসদকে।Developed Reporter Samrat Ghosh